kalerkantho


ভারতের সঙ্গে ৫ রুটের বাসভাড়া নির্ধারণ

দরপত্র কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ঢাকা থেকে ভারতের কলকাতা, আগরতলা, শিলং, গুয়াহাটিসহ পাঁচটি রুটে বাসভাড়া নির্ধারণে আহ্বান করা দরপত্র কার্যক্রমের ওপর দেওয়া স্থিতাবস্থা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে রায় দিয়ে আদালত এ আদেশ দিয়েছেন। ফলে দরপত্রের কার্যক্রম চালাতে আর আইনগত বাধা রইল না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন। আদালতে বিআরটিসির পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান। অন্যপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন।

যে পাঁচটি রুটের বাসভাড়া নির্ধারণে দরপত্রের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছিল সেগুলো হলো—ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা, আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা-আগরতলা, ঢাকা-খুলনা-কলকাতা-ঢাকা, ঢাকা-আগরতলা-ঢাকা ও ঢাকা-সিলেট-শিলং-গুয়াহাটি।

ওই দরপত্র আহ্বান করা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে গত ২৬ জুলাই হাইকোর্ট রুল জারি করেন। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীর করা এক আবেদনে ওই আদেশ দেওয়া হয়। ওই আদেশের পর গত ২ আগস্ট মোজাম্মেল হককে একটি চিঠি দেয় বিআরটিসি। তাতে বলা হয়, ‘আপনার চিঠির নিষ্পত্তি করা হয়েছে।’

এরপর গত ৩০ আগস্ট দরপত্র ওপেনিং কমিটির সভা করে বিআরটিসি। ওই মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুসারে দরপত্রে অংশগ্রহণকারীদের দুটি বাস নিয়ে মতিঝিল ডিপোতে হাজির থাকতে বলা হয়। কিন্তু আইন অনুসারে ভাড়া নির্ধারণ না করে এ ধরনের দরপত্র প্রক্রিয়া চালানো সঠিক নয় দাবি করে আবার হাইকোর্টে আবেদন করেন মোজাম্মেল হক। ওই আবেদনের ওপর গত ১৩ সেপ্টেম্বর শুনানি শেষে আদালত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে বিআরটিসি আপিল বিভাগে আবেদন করলে আপিল বিভাগ ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের পর হাইকোর্টে রুলের ওপর শুনানি হয়।



মন্তব্য