kalerkantho


মতিয়া চৌধুরী বললেন

ঘাটতি মোকাবেলায় জিএম ফসলের দিকে যেতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ঘাটতি মোকাবেলায় জিএম ফসলের দিকে যেতে হবে

গতকাল রাজধানীতে ‘ফিড দ্য ফিউচার বায়োটেকনোলজি পটেটো পার্টনারশিপ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। ছবি : কালের কণ্ঠ

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া  চৌধুরী বলেছেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জিএম (জেনেটিক্যালি মোডিফায়েড) ফসলের চাষ হচ্ছে। জিএম ফসল কোথাও কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে বলে জানা যায়নি। আমাদের অধিক জনসংখ্যার দেশে খাদ্যঘাটতি মোকাবেলায় জিএম ফসলের দিকে যেতে হবে। আমরা সাবধানতা অবলম্বন করব কিন্তু রক্ষণশীলতার বেড়াজালে নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করব না, তা হবে না।’ তিনি গতকাল বুধবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল অডিটরিয়ামে ‘ফিড দ্য ফিউচার বায়োটেকনোলজি পটেটো পার্টনারশিপ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

হাইব্রিড ফসলের বিষয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৬ সালে যখন আমরা হাইব্রিড চালু করলাম তখন বিভিন্ন মহল থেকে অনেক ঋণাত্মক সমালোচনার সম্মুখীন হই। সে সময় শেখ হাসিনার সরকারের সঠিক সিদ্ধান্তের কারণে এখন আমরা অসময়ে এবং সারা বছর বিভিন্ন ধরনের সবজি পাচ্ছি। বিজ্ঞানীদের নতুন অবদানের কথা অস্বীকার করে আমরা বসে থাকি নাই। আমরা ধানেরও হাইব্রিড উৎপাদন করছি। হাইব্রিড সবজির মতো হাইব্রিড ধান কৃষক গ্রহণ করেছে আগ্রহসহকারে। প্রচলিত ধানের ফলন যেখানে চার-পাঁচ টন, সেখানে হাইব্রিড ধানের ফলন ১০ টন পর্যন্ত হচ্ছে। আমাদের বিজ্ঞানী ও কৃষকরা অনেক কষ্ট করে সফলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।’

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নজমুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. ভাগ্য রানী বণিক ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আবুল কালাম আযাদ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন ইউএসএইড বাংলাদেশের এফটিএফ প্রগ্রাম লিডার ডেভিড ওয়েস্টারলিংক।

‘ফিড দ্য ফিউচার বায়োটেকনোলজি পটেটো পার্টনারশিপ’ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও ফিড দ্য ফিউচার বায়োটেকনোলজি পটেটো পার্টনারশিপ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. ডেভিড ডাউচেস। মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. নাসির উদ্দিন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম মণ্ডল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. রাখ হরি সরকার।



মন্তব্য