kalerkantho


ডিএনসিসির মেয়র পদে উপনির্বাচন

রবিবারের আগে ইসির সিদ্ধান্ত হচ্ছে না

বিশেষ প্রতিনিধি   

১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপনির্বাচন বিষয়ে আগামী ১৭ ডিসেম্বরের আগে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আজ মঙ্গলবার নির্বাচন ও গণতন্ত্রবিষয়ক একটি সেমিনারে যোগ দিতে শ্রীলঙ্কা যাচ্ছেন। ফিরবেন আগামী শুক্রবার। এরপর ১৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের ধারণা, ওই সভায়ই ডিএনসিসি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত হতে পারে।

এর আগে গত রবিবার ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, ডিএনসিসির মেয়র পদে উপনির্বাচন নিয়ে আইনি জটিলতা নেই এবং দু-এক দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। এদিন তিনি বলেন, এই সিটির ১৮টি ওয়ার্ডে নির্বাচন করার জন্য এরই মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ ইসিকে অনুরোধ করেছে। সে ক্ষেত্রে এ নির্বাচন করতে আর কোনো জটিলতা নেই। তবে নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডের ওয়ার্ড কমিশনার নির্বাচনসহ এ উপনির্বাচন হবে নাকি ওই ১৮টি ওয়ার্ড বাদ রেখে শুধু উপনির্বাচন হবে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইন খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে ইসি সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা গতকাল সোমবার কালের কণ্ঠকে বলেন, এ নির্বাচনে আইনগত যে জটিলতা রয়েছে তা নিরসন করতে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। তবে যথাসময়ে এ নির্বাচন হবে কি না সে বিষয়টি সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপরই বেশি নির্ভরশীল।

প্রসঙ্গত, ডিএনসিসির মেয়র আনিসুল হকের অকালমৃত্যুতে ডিএনসিসিতে মেয়র পদ শূন্য হয়েছে গত ৩০ নভেম্বর। গত ৪ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ বিষয়ে গেজেট জারি করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের ১৫(ঙ) ধারা অনুসারে সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৮০ দিনের আগে মেয়র বা কাউন্সিলরের পদ শূন্য হলে শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে হিসাবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় রয়েছে মেয়রের শূন্য পদে উপনির্বাচনের। সে হিসাবে ওই সময়ের মধ্যে নির্বাচন করতে হলে আগামী জানুয়ারির প্রথম দিকেই ইসিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে। কিন্তু তাতে এবারের হালনাগাদে যারা নতুন ভোটার হতে যাচ্ছে, তারা ওই নির্বাচনে প্রার্থী হতে বা ভোট দিতে পারবে না।



মন্তব্য