kalerkantho


প্রিজন সেলে আসামি মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন হবে

বরিশাল অফিস   

১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) প্রিজন সেলে আসামি সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। তবে গতকাল সন্ধ্যায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আইজি প্রিজন তদন্ত কমিটি গঠনের কোনো চিঠি বরিশালে পৌঁছায়নি।

সিরাজুল বরিশালের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড টেকনোলজির ছাত্রী সাদিয়া আক্তার (২১) গণধর্ষণের পর হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিল। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের নির্যাতনে সিরাজুলের মৃত্যু হয়েছে।

সিরাজুলের ভগ্নিপতি মাহমুদ খান জানান, রবিবার রাত সাড়ে ১০টায় সিরাজুলের লাশ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। 

তিনি বলেন, ‘রবিবার বিকেলে মঠবাড়িয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ইউসুফ বাড়িতে গিয়ে একটি কাগজে সিরাজুলের স্ত্রী মিনারা বেগমের স্বাক্ষর নেন। ওই কাগজে কী লেখা ছিল তা বলতে পারেননি মিনারা বেগম।’ 

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক মো. ইউসুফ বলেন, সিরাজুলের মৃত্যুর খবর অবহিত করার জন্য তিনি ওই বাড়িতে যান। এসংক্রান্ত কাগজে স্বাক্ষর আনেন। স্বাক্ষর করা কাগজের অনুলিপি সিরাজুলের বাড়িতে রেখে এসেছেন বলে মো. ইউসুফ জানান।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, সিরাজুলের মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা অপেক্ষা করবেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে অস্বাভাবিক মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া গেলে এর কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মুস্তাফিজুর রহমান জানান, সিরাজুলের মৃত্যুর প্রমাণপত্রে ‘ফিজিক্যাল অ্যাসল্ট’ শব্দটি উল্লেখ রয়েছে। হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মো. তারেক জানান, ভর্তির সময় রোগীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল।

বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার বদরুদ্দোজা বলেন, বিধি অনুযায়ী আইজি প্রিজন মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করবেন।’



মন্তব্য