kalerkantho


আলোকচিত্রে মানবাধিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



আলোকচিত্রে মানবাধিকার

দৃক গ্যালারির দেয়ালে ঝুলছে বহুমাত্রিক সব আলোকচিত্র। তরুণ ও মেধাবী আলোকচিত্রীরা তুলে এনেছেন জীবনের গল্প।

তাতে সমাজের নানা অবিচার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অধিকারের কথা উঠে এসেছে। তুলে ধরা হয়েছে মানবিক আখ্যান। বাংলাদেশ লিগ্যাল অ্যাইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট এবং ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির আয়োজনে রাজধানীর দৃক গ্যালারিতে শুরু হয়েছে এ আলোকচিত্র প্রদর্শনী। পাঁচ দিনব্যাপী আয়োজিত এ প্রদর্শনীর শিরোনাম ‘আমার জীবন, আমার অধিকার’।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী ড. হামিদা হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকারকর্মী ও ‘নিজেরা করি’ সংগঠনের সমন্বয়ক ও এই আলোকচিত্র প্রদর্শনীর বিচারক প্যানেলের সদস্য খুশী কবির এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেসের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আলোকচিত্রী হাসান সাইফুদ্দিন চন্দন, আবীর আবদুল্লাহ ও তাসলিমা আক্তার।     

গত ২০ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর অনলাইনে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এই প্রদর্শনীর জন্য ছবি আহ্বান করা হয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ১৪-৩০ বছর বয়সী প্রায় ১৫০ আলোকচিত্রীর পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করা ছবি নিয়ে এই প্রদর্শনী।

২৩ জন আলোকচিত্রীর ২৪টি একক ছবি এবং একটি গল্পছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে এই প্রদর্শনী।

আয়োজকরা জানান, এই আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীর মূল উপাত্ত, মানুষ হিসেবে ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনে সিদ্ধান্ত ও পছন্দের মূল্যায়ন। তরুণদের মাঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ এবং স্বাধীনতা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাল্যবিয়ে, পারিবারিক সহিংসতা, অনলাইনে সাইবার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, যৌন হয়রানি, বাক্স্বাধীনতায় বিধিনিষেধ তাদের জীবনের বাধা হয়েও দাঁড়াচ্ছে ক্রমশ। এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য প্রতিটি ব্যক্তিকে নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা সম্পর্কে সচেতন করা এবং এটিকে একটি সামাজিক সচেতনতার বিষয় হিসেবে তুলে ধরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই এই প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীর বিষয়বস্তু সম্পর্কে আলোকপাত করেন ব্যারিস্টার ফারিয়া আহমেদ। সঞ্চালনা করেন আলোকচিত্রী এবং এই আয়োজনে সার্বিক সহায়তায় দায়িত্ব পালনকারী মুনিরা মোরশেদ মুননী।

‘আমার জীবন, আমার অধিকার’ শিরোনামে আলোকচিত্র প্রদর্শনী কিউরেট করার দায়িত্বে ছিলেন আলোকচিত্রী ও কিউরেটর আবীর আবদুল্লাহ।


মন্তব্য