kalerkantho


ঢাকা-কলকাতাসহ ৫ রুটে ভাড়া নির্ধারণ

দরপত্র কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ঢাকা থেকে ভারতের কলকাতা, আগরতলা, শিলং, গুয়াহাটিসহ পাঁচটি রুটে বাসভাড়া নির্ধারণ করতে ডাকা দরপত্র কার্যক্রমের ওপর দেওয়া স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। তবে এ বিষয়ে হাইকোর্টের জারি করা রুল ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ গতকাল বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেওয়া হয়। আদালতে বিআরটিসির পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম। অপর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন ও এ আর এম কামরুজ্জামান।

যে পাঁচটি রুটের দরপত্রের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ বহাল রাখা হয়েছে সেগুলো হলো ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা, আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা-আগরতলা, ঢাকা-খুলনা-কলকাতা-ঢাকা, ঢাকা-আগরতলা-ঢাকা এবং ঢাকা-সিলেট-শিলং-গুয়াহাটি।

ওই দরপত্র আহ্বান করা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে গত ২৬ জুলাই রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই সব রোডে ভাড়া নির্ধারণে যাত্রী কল্যাণ সমিতির করা আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই আদেশ দেওয়া হয়েছিল। হাইকোর্টের ওই আদেশের পর গত ২ আগস্ট মোজাম্মেল হককে একটি চিঠি দেয় বিআরটিসি।

চিঠিতে বলা হয়, ‘আপনার চিঠি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ’ এরপর গত ৩০ আগস্ট দরপত্র ওপেনিং কমিটির সভা করে বিআরটিসি। সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে দরপত্রে অংশগ্রহণকারীদের দুটি বাস নিয়ে মতিঝিল ডিপোতে হাজির থাকতে বলা হয়। কিন্তু আইন অনুসারে ভাড়া নির্ধারণ না করে এ ধরনের দরপত্রপ্রক্রিয়া চালানো সঠিক নয় দাবি করে আবার হাইকোর্টে আবেদন করেন রিট আবেদনকারী। ওই আবেদনের ওপর গত ১৩ সেপ্টেম্বর শুনানি শেষে আদালত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন।


মন্তব্য