kalerkantho


শেবাচিম হাসপাতাল

অনুসন্ধানকেন্দ্র থেকেও নেই

আজিম হোসেন, বরিশাল   

২৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মশিউর রহমান গত সোমবার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে ঢুকতেই তাঁর নজরে পড়ে হাসপাতালের অনুসন্ধানকেন্দ্র।

কিন্তু অনুসন্ধানকেন্দ্রে ঢুকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। কারণ কাছে গিয়ে তিনি দেখতে পান কেন্দ্রটি তালাবদ্ধ।

এ সময় যুগ্ম সচিবের সঙ্গে ছিলেন বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. মাহাবুবুর রহমান। তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘অনুসন্ধানকেন্দ্রটি কেন বন্ধ করে রাখা হয়েছে, তা কেবল হাসপাতালের পরিচালকই বলতে পারবেন। ’

এ ব্যাপারে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘অনুসন্ধানকেন্দ্রটি খোলা হয় প্রায় ছয় বছর আগে। তখন রোগীর চাপ কম ছিল। ফলে হাসপাতালের অন্য বিভাগের লোকবল দিয়ে অনুসন্ধানকেন্দ্রের সেবা চলত। এখন হাসপাতালের পরিসর ও রোগীর সংখ্যা বাড়লেও লোকবল বাড়েনি। ফলে এখন লোকবলের অভাবে সেটি বন্ধ আছে।

হাসপাতালে অনুসন্ধানকেন্দ্রের প্রয়োজন কতটুকু—এমন প্রশ্নের জবাবে পরিচালক বলেন, ‘কোন রোগী কোথায় সেবা পাবেন, কোন চিকিৎসকের সেবা পাবেন, কিভাবে রোগী ভর্তি করা হবে ইত্যাদি তথ্য সেখান থেকে দেওয়া হতো। এতে চিকিৎসা নিতে আসা ব্যক্তিরা খুবই উপকৃত হতো। ’

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, অনুসন্ধানকেন্দ্র না থাকায় অনেকেই বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে। এমনই একজন স্কুলশিক্ষক লিনা খানম। তিনি বলেন, ‘চর্ম বিভাগের একজন চিকিৎসকের কাছে এসেছিলাম। টিকিট সংগ্রহের পর ওই চিকিৎসকের কক্ষ খুঁজে পেতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লেগেছে। যার কাছে জানতে চাই, সেই বলে জানি না। অনুসন্ধানকেন্দ্র থাকলে এ সমস্যা হতো না। ’

শেবাচিম হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের তথ্যসেবা দিতে ২০১০ সালে হাসপাতালের প্রধান ফটকের পাশে ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে অনুসন্ধানকেন্দ্রটি খোলা হয়। প্রায় চার বছর ওই অনুসন্ধানকেন্দ্র সচল ছিল।

 


মন্তব্য