kalerkantho


মানববন্ধনে দাবি

গোমতী ও ডাকাতিয়া নদী ড্রেজিং করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



পরিবেশ বিপর্যয় থেকে রক্ষার জন্য অবিলম্বে গোমতী ও ডাকাতিয়া নদীকে দূষণ ও দখলমুক্ত করে পুনঃখননের মাধ্যমে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে বেসরকারি সংগঠন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি (এনসিপিএসআরআর)। কমিটি নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নিয়মিত প্রয়োজনীয় ড্রেজিং করে (পলি অপসারণ) নদী দুটিতে সারা বছর নৌযান চলাচলের উপযোগী নাব্যতা সৃষ্টি এবং ফতুল্লা থেকে মেঘনায় একটি রেল সেতু নির্মাণ করে কুমিল্লার লালমাই পর্যন্ত বিকল্প রেললাইন স্থাপনের দাবিও জানিয়েছে।

কুমিল্লায় গোমতী ও ডাকাতিয়া নদী পরিদর্শন করে কমিটি এই দাবি তুলে ধরেছে। গতকাল শনিবার সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় পরিবেশকর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় কমিটির একটি প্রতিনিধিদল ১৭ নভেম্বর দিনভর গোমতী নদীর অনিয়ন্ত্রিত বালু উত্তোলন ও ডাকাতিয়া অববাহিকায় শহরের বর্জ্যদূষণসহ নদীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করে। পরিদর্শনকালে তারা গোমতী ও ডাকাতিয়া নদী রক্ষায় বৃহত্তর কুমিল্লাবাসীর দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে টিক্কার চরে গোমতী সেতুর ওপর মানববন্ধন করে।

সংগঠনের সভাপতি হাজি মো. শহীদ মিয়ার নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রকৌশলী ম ইনামুল হক, বিআইডাব্লিউটিএর সাবেক পরিচালক এমদাদুল হক বাদশা, কুমিল্লার পরিবেশ আন্দোলনের নেতা ডা. এ বি এম খোরশেদ আলম, জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে, জাতীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সঞ্জীব বিশ্বাস, সহসভাপতি ইফমা হুসেইন, বাংলাদেশ ইনল্যান্ড মাস্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিমা) সভাপতি কাজী আবদুল হক, জসি সিকদার, কাজী হুমায়ুন কবির মিঠু, হীরক পাশা, বাবুল হোসেন, ফটো সাংবাদিক এম ডি নাসির উদ্দিন, মো. সুলতান মিয়া প্রমুখ।   

সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কুমিল্লা শহরের উত্তর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া গোমতী নদী থেকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এই অবৈধ কাজে একটি শক্তিশালী দুর্নীতিবাজ চক্র জড়িত।


মন্তব্য