kalerkantho


সংবাদ সম্মেলন

জার্মাপ্লাজম সেন্টার রক্ষার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩১ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০



আগারগাঁও প্যারেড গ্রাউন্ডসংলগ্ন জার্মাপ্লাজম সেন্টারের মধ্যে মেট্রো রেল সাইট অফিস স্থাপন প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা। গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানানো হয়েছে।

লেখক-বুদ্ধিজীবী সৈয়দ আবুল মকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য পাঠ করেন বাপার যুগ্ম সম্পাদক শাহজাহান মৃধা। বক্তব্য দেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক হামিদুর রহমান, বাপার সাধারণ সম্পাদক ডা. আবদুল মতিন, পবা চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, তরুপল্লবের সাধারণ সম্পাদক মোকারম হোসেন, বাপার যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস ও হর্টিকালচার সোসাইটির কার্যকরী সদস্য আফজাল হোসেন।

শাহজাহান মৃধা বলেন, আগারগাঁওয়ে ফলবীথি জার্মাপ্লাজম সেন্টার নামের বাগানটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে ১৯৯০ সালের দিকে যাত্রা শুরু করে। প্রায় ২৭ বছরের ব্যবধানে এখানে দেশি-বিদেশি ফলগাছের এক বিস্ময়কর জার্মাপ্লাজম ভাণ্ডার গড়ে উঠেছে। ৭৩৯টি ফলদ বৃক্ষের এই গবেষণা উদ্যান একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। কিন্তু গত ৩১ জুলাই বিমানবাহিনী সদর দপ্তর থেকে চিঠিতে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানানো হয়, মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড নির্মাণের জন্য যে জায়গাটি চিহ্নিত করেছে তা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের ব্যবহার্য পাঁচ একর জমিরই অংশ।

সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ‘বাগানটি বিনষ্ট করার যে সিদ্ধান্ত তা অবিবেচনাপ্রসূত ও নিষ্ঠুর একটি কার্যক্রম। এই মাতৃ-বাগানটি জাতীয় অর্থনীতি, গবেষণা, খাদ্য-পুষ্টি ও নগরীর পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে। তাই গুরুত্বপূর্ণ বাগানটির যাতে কোনো ক্ষতি না হয় তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।’

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, বিশ্বের প্রতিটি শহরেই বাগানগুলোকে ফুসফুস হিসেবে বিবেচনা করে তা সংরক্ষণে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। অথচ ঢাকা মহানগরীর বাগানগুলোকে ধ্বংস করা হচ্ছে। ঢাকার জলাধারগুলো ধ্বংস করার কারণে যেভাবে আজ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।



মন্তব্য