kalerkantho


ভুয়া সনদে চাকরি

দুই সাবরেজিস্ট্রারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০



জাল শিক্ষা সনদ দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দুই সাবরেজিস্ট্রার ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগপত্রের (চার্জশিট) অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা রয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, গতকাল সোমবার চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়। শিগগরিই তা আদালতে দাখিল করা হবে।

অভিযুক্ত দুই সাবরেজিস্ট্রার হলেন মিনতি দাস ও পরিতোষ কুমার দাস। মিনতি দাস বর্তমানে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় কর্মরত। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, ১৯৮৫ সালের আগে বিএ (সম্মান) পাস না হওয়া সত্ত্বেও এইচএসসি ও বিএ (সম্মান) পাসের জাল সনদ দাখিল করে সাবরেজিস্ট্রার হিসেবে তিনি সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে মনোনয়ন পান। ২০০৯ সালের ৯ ডিসেম্বর তিনি নিবন্ধন পরিদপ্তরে যোগদান করেন। যোগদানকালে তিনি সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর পর থেকে ২০১৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তিনি অবৈধভাবে বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের ১০ লাখ ৯২ হাজার ৭৬৮ টাকার আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেন। এই অভিযোগে গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে জাল-জালিয়াতি, জাল রেকর্ডপত্রকে খাঁটি হিসেবে ব্যবহার এবং অপরাধমূলক অসদাচরণ করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

পরিতোষ কুমার দাস বাড্ডা সার্কেল রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে কর্মরত। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৯৮৫ সালের আগে এমএসসি পাস না হলেও জাল সনদ দেখিয়ে ২০০৯ সালে সাবরেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদান করেন তিনি। এই অভিযোগে গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

পুলিশের কনস্টেবল আবদুল মজিদ এখন সাময়িক বরখাস্ত। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাবার নামে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে পুলিশে চাকরি নেন তিনি। এই অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল সিরাজগঞ্জে মামলা করে দুদক।



মন্তব্য