kalerkantho


জ্বালানি-দক্ষতা বৃদ্ধি

১২৭ কোটি টাকা ঋণ পেল মেঘনা সিমেন্ট মিলস

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ মে, ২০১৭ ০০:০০



১২৭ কোটি টাকা ঋণ পেল মেঘনা সিমেন্ট মিলস

রাজধানীর রমনার আইইবি ভবনে গতকাল জাপানের সাহায্য সংস্থা জাইকার সঙ্গে বাংলাদেশের মেঘনা সিমেন্ট মিলসের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

জ্বালানি-দক্ষ যন্ত্রপাতি কেনার জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেডকে ১২৭ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার বিষয়ে অনাপত্তিপত্র সই করেছে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা)।

গতকাল বুধবার বিকেলে রাজধানীর রমনায় স্রেডা কার্যালয়ে এ অনাপত্তিপত্র সই হয়। জ্বালানি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি স্থাপনে এ ঋণ দেয় জাপানের সাহায্য সংস্থা জাইকা। তাদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংস্থা ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কম্পানি লিমিটেড (ইডকল) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগী সংস্থা বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফিন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএল)।

আরো তিনটি প্রতিষ্ঠান অনাপত্তিপত্র পেয়েছে গতকাল। বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কম্পানি (বেক্সিমকো) লিমিটেড ১১০ কোটি টাকা, প্রিটি ইকো এ্যাপারেলস ভিলেজ লিমিটেড ৮৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা ও তিথি টেক্সটাইল মিলস ৫৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকার ঋণ পাবে।

প্রসঙ্গত, শিল্প ও বাসাবাড়িতে ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয় করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্য অর্জিত হলে ৯ কোটি ৫০ লাখ টন জ্বালানি তেলের সাশ্রয় হবে, যার বাজার মূল্য পাঁচ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

অনাপত্তিপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, শিল্প-কারখানায় জ্বালানি-দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রণোদনা দরকার। জ্বালানি-সাশ্রয়ের বিষয়ে শিল্পমালিক ও জনগণকে সচেতন করতে হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে এনার্জি অডিট হওয়া উচিত। এ খাতে ৯০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার জন্য জাইকাকে ধন্যবাদ।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিমেন্ট বিভাগের যুগ্ম ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম মাহবুব উজ-জামান, গ্রুপের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল মো. মাহবুব হায়দার খান (অব.) ও ব্যাংকিং বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. রাজিব সামাদ।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, বিদ্যুৎসচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, স্রেডার চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন, জাইকা প্রতিনিধি কোজি মিতোমোরি, বিআইএফএলের নির্বাহী পরিচালক এ এম ফরমানুল ইসলাম ও ইডকলের প্রধান নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ মল্লিক বক্তব্য দেন।



মন্তব্য