kalerkantho


সব কাজে অফিসের কম্পিউটার নয়

২১ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০



সব কাজে অফিসের কম্পিউটার নয়

প্রতিষ্ঠানের স্পর্শকাতর ঢু মারা : আপনার এখতিয়ারের মধ্যে থাকলে ভিন্ন কথা। কিন্তু না থাকলেও প্রতিষ্ঠানের স্পর্শকাতর তথ্য যেখানে রাখা হয়, অফিসের কম্পিউটারে বসে সেখানে ঢু মারার চেষ্টা সন্দেহের জন্ম দেয়। অধিকার থাকলেও তথ্যভাণ্ডারে ঘন ঘন প্রবেশ আপনার নিরপেক্ষ অবস্থানকে কলুষিত করতে পারে। তাই নিরাপত্তাবেষ্টিত স্থানগুলোতে সাবধানে পা ফেলতে হবে।

আপত্তিকর ওয়েবসাইট : এটা বলে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। অফিসের কম্পিউটারে বস যে কাজ করবেন, তা নজরদারিতে থাকতে পারে। তাই রাজনৈতিক, পর্ণ বা আপত্তিকর যেকোনো সাইট ঘাঁটাঘাঁটি করার আগে দ্বিতীয়বার ভেবে দেখা উচিত। সামান্য ভুলে কর্মী হিসেবে আপনার কুরুচিপূর্ণ মনোভাবের পরিচয় প্রকাশ পেতে পারে।

ব্যক্তিগত কাজ : যদি আপনি গোপনে অন্য কোনো পার্টটাইম চাকরি বা ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন, তা নিয়ে ব্যস্ততা অফিস মেনে নেবে না। তাই মূল চাকরির পাশাপাশি অন্য কিছু থাকলে তা নিয়ে অফিসে বসে ঘাঁটাঘাঁটি করতে নেই। এতে কর্তৃপক্ষ আপত্তি তুলতে পারে। আর সে আপত্তির বিপরীতে আপনি যৌক্তিক ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে পারবেন না।

চাকরি খোঁজা : নতুন কোনো চাকরি খুঁজতেই পারেন। কিন্তু এ কাজটি অফিসে বসে না করাই ভালো। বিশেষ করে যদি আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরি খোঁজার পাঁয়তারা করেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য নয়।

খুব বেশি এলোমেলো সার্চিং : সাধারণভাবে এলোমেলো প্রচুর সার্চ করার কাজটিও অফিস ভালো চোখে দেখে না। আসলে অফিসে আপনার দায়িত্বসংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য খোঁজার কাজটি স্বাভাবিক। কিন্তু যখন যা ইচ্ছা সার্চ দেওয়ার মাধ্যমে আপনি প্রমাণ করছেন, অযথাই ইন্টারনেটে সার্চিং করেন আপনি। এ কাজ করতে নিশ্চয়ই বসেননি চেয়ারে। তাই ইন্টারনেটে সার্চ করতেও দরকার সচেতনতা।

ইনডিপেনডেন্ট অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার


মন্তব্য