kalerkantho

জাতীয় শিশু -কিশোর সমাবেশ

কুচকাওয়াজে টানা পঞ্চমবারের মতো প্রথম স্থানে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ মার্চ, ২০১৯ ১৮:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুচকাওয়াজে টানা পঞ্চমবারের মতো প্রথম স্থানে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল

মহান স্বাধীনতা দিবসের জাতীয় শিশু-কিশোর সমাবেশের কুচকাওয়াজে আবারো প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বান্দরবানের লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের শিক্ষার্থীরা। জয়ের ধবারাবাহিকতায় এ নিয়ে তারা টানা পঞ্চমবারের মতো প্রথম স্থান দখলে রেখেছে। এবার কুচকাওয়াজে দ্বিতীয় স্থান লাভ করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও সরকারি শিশু পরিবার তৃতীয় হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোর সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ও ঢাকা জেলা প্রশাসন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শিশু-কিশোর সমাবেশে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করেন এবং মুগ্ধ হয়ে শিশু-কিশোরদের কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠান শেষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের শিক্ষার্থীরা। 

কুচকাওয়াজ ইভেন্টে ২০১৫ সালে জাতীয় শিশু-কিশোর সমাবেশে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই প্রথম হয়েছিল কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের শিক্ষার্থীরা। সেই থেকে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে এবারও পঞ্চমবারের মতো প্রথম স্থান লাভ করল তারা। এ বছর ঢাকাসহ সারাদেশ থেকে মোট ৪৮টি স্কুল ও শিশু সংগঠন মার্চপাস্টে অংশ নেয়। প্রথম হওয়া কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৩২ জন শিক্ষার্থী কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করে। এছাড়া কসমো স্কুলের ১৭০ জনের বাদক দলের বিশেষ পরিবেশনা মুগ্ধ করে উপস্থিত সবাইকে। দৃষ্টিনন্দন সাজসজ্জা, আত্মবিশ্বাসী দেহভঙ্গি এবং বাদ্যের তালে তালে কোয়ান্টাদের আকর্ষণীয় উপস্থাপনা নজর কাড়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত সবার। 

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বান্দরবানের প্রত্যন্ত অঞ্চল লামার সরই উপজেলায় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে গড়ে ওঠে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল। মাত্র ৭টি শিশু নিয়ে শুরু করা এ স্কুলের বর্তমান শিক্ষার্থী সংখ্যা দেড় সহস্রাধিক। মূলত বঞ্চিত শিশুদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়াসে যাত্রা শুরু হয় এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে, সঠিক পরিচর্যা পেলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরাও আলোকিত মানুষ হয়ে নিজেদের বিকশিত করতে পারে।

মন্তব্য