• ই-পেপার

সাংবাদিকদের ডিএসসিসি'র প্রধান প্রকৌশলী

যেকোনো মূল্যে কেমিক্যাল গোডাউন সরিয়ে নেওয়া হবে

বিরোধী দল শুধু ক্ষমতার ভাগের সংস্কারের কথা বলে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বিরোধী দল শুধু ক্ষমতার ভাগের সংস্কারের কথা বলে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে কথা বলছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত বলেছেন, বিরোধী দল শুধু সেই সংস্কারের কথাই বলে, যেসব সংস্কার তাদের ক্ষমতার অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করবে। কিন্তু স্বাস্থ্যখাতের সংস্কার নিয়ে তারা কখনোই আলোচনা করেনি। আজ রবিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল প্রায়ই সংস্কার ও জুলাই সনদের কথা বলে। কিন্তু স্বাস্থ্যখাতে যে সংস্কার প্রয়োজন, তা নিয়ে তারা একদিনও কথা বলেনি। স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন দিয়েছে। বিরোধী দল সেটি নিয়ে সংসদে আলোচনা করলে সরকার আরও উৎসাহিত হতো।’

তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছরের দুঃশাসনে দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। গণআন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পরিবর্তনের পর গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বর্তমান সংসদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সেই প্রত্যাশা পূরণে সরকার কাজ করছে।’

স্বাস্থ্যখাতের বাজেট প্রসঙ্গে ডা. এম এ মুহিত বলেন, ‘এ বাজেটের মূল লক্ষ্য ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করে এমন একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা পাবে। তিনি জানান, গত অর্থবছরের ৩৫ হাজার কোটি টাকা থেকে এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৬৯ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ শুধু হাসপাতাল নির্মাণ নয়; এটি মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক বৈষম্য কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি অসংক্রামক রোগের বিস্তার, মহামারি মোকাবিলা, দ্রুত নগরায়ণ, চিকিৎসা ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি এবং প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়গুলো উল্লেখ করেন। তিনি জানান, দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশই অসংক্রামক রোগের কারণে ঘটে। একই সঙ্গে চিকিৎসা ব্যয়ের প্রায় ৭৯ শতাংশ রোগীদের নিজস্ব পকেট থেকে বহন করতে হয়, যা থাইল্যান্ডে ১০ শতাংশ এবং মালদ্বীপে ১৮ শতাংশ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য অপরিকল্পিতভাবে হাসপাতাল নির্মাণ নয়; বরং স্বাস্থ্যব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার, জনবল উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, বিকেন্দ্রীকরণ এবং কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। নগর ও গ্রামের মানুষের জন্য সমমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে ভিত্তি করে একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকার রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে, যাতে মানুষ অসুস্থ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।’

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে : ইসি

অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে : ইসি

আগামী অক্টোবর মাসে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ রবিবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে সভা করে ইসি। চার নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন। পরে ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

ইসি বলছে, এই নির্বাচন আয়োজনে ব্যালট বাক্স, প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার প্রস্তুত আছে। তবে নির্বাচন আয়োজনে বাজেট কিছুটা কমানো যায় কি না, ভাবা হচ্ছে।

ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘সব ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। জানলাম কিভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়। যদি আমাদের ৪ হাজার ৫০০ নির্বাচন আয়োজন করতে হয়, কোনটা আগে করব, কোনটা পরে করব তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও কিভাবে করব, আমাদের জিনিসপত্র প্রস্তুত আছে কি না, আজ অবহিত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন যদি অক্টোবর থেকে হয়, বা নভেম্বর-ডিসেম্বর যখন হোক, আমরা অক্টোবর ধরে কাজ আগাচ্ছি। অক্টোবরে হলে এর ৪৫ দিন আগে শিডিউল ঘোষণা করা হবে। আমরা মূলত অক্টোবরে ধরেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

ইসি জানায়, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে এ নির্বাচন আয়োজন করতে কোনো সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে নেওয়া হবে না।

সভা শেষে ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও নতুন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ রবিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে এ মন্তব্য বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যমুনার অন্দরে আর কিনারে হওয়া ভয়াবহ দুর্নীতির তদন্ত করতে দুদককে নির্দেশ দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

জুলাই সনদ নিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন ও জাতীয় স্বার্থে সবাই মিলে একমত হয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে।’

এ সময় বাজেটকে জনবান্ধব উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এবার বাজেট দেওয়ার আগে পরে কোনো নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি।’

ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজ করছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজ করছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

নতুন কম্পানি নিবন্ধন থেকে শুরু করে যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য এলসি খোলার পর্যায় পর্যন্ত বর্তমানে যেখানে গড়ে ৩৫৫ দিন সময় লাগে, সেটি কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ট্রেড লাইসেন্স, আইআরসি, ইআরসিসহ ব্যবসা শুরু করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন অনুমোদন একক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর।

তিনি বলেন, দেশে ও বিদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করছে। বর্তমানে একটি কম্পানি নিবন্ধন থেকে ব্যবসা পরিচালনার প্রয়োজনীয় লাইসেন্স, ক্লিয়ারেন্স ও অনুমোদন পেতে গড়ে ৩৫৫ দিন লাগে। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এ পুরো প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের সংস্কার আনা হচ্ছে। ফলে নতুন কম্পানি গঠন করে যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য এলসি খোলার পর্যায়ে যেতে সর্বোচ্চ ১৪ দিন লাগবে। যেসব অনুমোদনের জন্য সরেজমিন পরিদর্শন প্রয়োজন হবে, সেগুলোও সমন্বিত একটি সংস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা কিংবা সিটি করপোরেশনে যেতে হবে না। জাতীয় একটি অনলাইন পোর্টালে আবেদন, ফি পরিশোধ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেই ডিজিটালভাবে ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া যাবে। স্থানীয় সরকারের প্রাপ্য অর্থও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে পৌঁছে যাবে। পাশাপাশি আরজেএসসি, শেয়ার হস্তান্তর, লিকুইডেশনসহ ব্যবসাসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবাও ডিজিটাল করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এবারের বাজেটের মূল দর্শন ‘স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধি’। বড় অবকাঠামো প্রকল্পের পরিবর্তে এবার মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরের তুলনায় শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বেড়ে মোট বাজেটের ১৩ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে, যা আগে ছিল ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দও ৪ দশমিক ২ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। অন্যদিকে ভৌত অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ ৩১ শতাংশ থেকে কমে ১৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৫ দশমিক ১ শতাংশ থেকে কমে ১ দশমিক ৮৫ শতাংশে নেমেছে।

২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে বছরে সাড়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ প্রকৃত প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ৪১ থেকে ৪২ শতাংশে উন্নীত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন ও লজিস্টিক ব্যয় কমানোর উদ্যোগের কথা জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের লজিস্টিক ব্যয় জিডিপির প্রায় ১৬ শতাংশ, যেখানে আন্তর্জাতিক মান প্রায় ১০ শতাংশ। এ ব্যবধান কমাতে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স দ্রুত করা এবং কৃষিপণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থায় অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্যাসের ঘাটতির কারণে বর্তমানে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার শিল্প বিনিয়োগ পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে যেতে পারছে না। এ সংকট মোকাবিলায় নতুন একটি এফএসআরইউ যুক্ত করে অতিরিক্ত ৫৫০ থেকে ৬০০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সার কারখানার জন্য পৃথক এলএনজি সরবরাহ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সম্ভাব্যতাও যাচাই করা হচ্ছে।

রপ্তানি বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে চামড়া ও পাট খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, সাভারের ট্যানারিগুলোকে আন্তর্জাতিক এলডব্লিউজির গোল্ড সনদ অর্জনে সহায়তা দিয়ে চামড়া রপ্তানিকে ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে চীনের সহযোগিতায় পাট গবেষণা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং উচ্চমূল্য সংযোজিত পাটজাত পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাজেটের প্রশংসা করে খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, অর্থমন্ত্রী এমন একটি বাজেট উপস্থাপন করেছেন, যা তার প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। তার ভাষ্য, দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে এটি একটি বাস্তবসম্মত বাজেট।

যেকোনো মূল্যে কেমিক্যাল গোডাউন সরিয়ে নেওয়া হবে | কালের কণ্ঠ