kalerkantho


কর্মী-সমর্থকদের তোপের মুখে বিএনপির সিনিয়র নেতারা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২০:১০



কর্মী-সমর্থকদের তোপের মুখে বিএনপির সিনিয়র নেতারা

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

আজ বুধবার বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক আলোচনাসভা চলাকালীন সময়ে বিএনপি নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ ও হট্টগোল করতে দেখা যায়। আলোচনার সভার শেষের দিকে দর্শক সারিতে বসা বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে কথা শুনতে চান।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বক্তব্য দিচ্ছিলেন। তখন দর্শক সারি থেকে এক নেতা বলে ওঠেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির কথা বলেন, কবে এবং কীভাবে মুক্তি পাবেন? আজকে হল রুম খালি কেন?

প্রথম অবস্থায় মওদুদ তা শুনেতে পাননি, তিনি জানতে চাইলে দর্শক সারি থেকে আবারো একই কথা জানতে চাওয়া হয় এবং অনেকেই এই নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে মওদুদ আহমদ বলেন, ‘হবে। একটু ধৈর্য্য ধরতে হবে।

পরিস্থিতি শান্ত হলে তিনি বলেন, এখন আমাদের একমাত্র এজেন্ডা হবে খালেদা জিয়ার মুক্তি।

তিনি আরো বলেন, কেউ এই সরকারকে আর বিশ্বাস করে না। জনগণ ভাল করেই জানে দেশে কোনো নির্বাচন হয় নাই। ভোট চুরি করে তারা নির্বাচনের নামে দুর্বৃত্তায়ন করে ক্ষমতায় এসেছে।

এরপর সভাপতিত্বের বক্তব্য নিয়ে আসেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি শুরু করলে এক পর্যায়ে এবার দর্শক সারি থেকে আওয়াজ আসে, বিএনপির কমিটি ভেঙে দেন। আজকে হল খালি কেন?

এর জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, কর্মসূচি আসবে। ধৈর্য্য ধরতে হবে।’ এরপর মির্জা ফখরুল ক্ষুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, ‘দাঁড়ান, হলে বসে চিৎকার করলে হবে না।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, একুশের চেতনা ধারন করে আমাদেরকে সামনে দিকে এগিয়ে যেগে হবে। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। সেই লড়েইয়ে আমরা বিজয়ী হবোই।

তিনি বলেন, মনোবল হারাবেন না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কখনো বলেননি মনোবল হারাতে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। আরও বক্তব্য দেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন প্রমুখ।



মন্তব্য