kalerkantho


ওদের টার্গেট চালককে অচেতন করে সিএনজি ছিনতাই!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৬:০৮



ওদের টার্গেট চালককে অচেতন করে সিএনজি ছিনতাই!

চেতনানাশক ট্যাবলেট কৌশলে খাবারের সাথে মিশিয়ে চালককে অচেতন করে সিএনজি ছিনিয়ে নেয়াই এদের কাজ। এমন এক চক্রের ৬ সদস্যকে উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হল- মোঃ অলী (২৩), মোঃ তানভীর ইসলাম (২৪), নুর মোহাম্মদ (৩৭), মোঃ জাকির ওরফে আকবর (৪৫), মোঃ তাইজুউদ্দিন ওরফে মজিবুর রহমান (৪৫) ও মোঃ শিপলু (৩০) । গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মজিবুর টঙ্গীর সিএনজি চোর চক্রের অন্যতম সদস্য। গ্রেফতারের সময় তাদের হেফাজত হতে ০২টি চোরাই সিএনজি এবং সিএনজি চোরাই কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ চেতনানাশক ট্যাবলেট ও গুলের কৌটায় তরল চেতনানাশক ঔষধ উদ্ধার করা হয়।

শনিবার বিকাল ৫টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে ডিবি-উত্তর বিভাগের গুলশান জোনাল টিম ।

ডিবি-উত্তর সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, তারা সিএনজি চুরির সঙ্গে জড়িত। তারা অভিনব কৌশল প্রয়োগ করে সিএনজি চুরি করত। তারা সাধারণত ভোর অথবা গভীর রাতে সিএনজি চুরি করত। প্রথমেই একটি সিএনজিকে টার্গেট করত। তারপর টার্গেটকৃত সিএনজির চালক কোথাও চা অথবা অন্য কিছু খাওয়ার সময় কৌশলে চেতনানাশক ট্যাবলেট খাইয়ে দিত। এরপর নিজেরাই উক্ত সিএনজি ভাড়া করে কিছুদূর যাওয়ার পর কোন অজুহাত দেখিয়ে সিএনজি দাঁড় করাত। কয়েক মিনিটের মধ্যে সিএনজি চালক অচেতন হয়ে পড়লে তারা চালককে রাস্তায় ফেলে দিয়ে সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যেত। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন অজ্ঞাত ফোন নাম্বার ব্যবহার করে সিএনজি মালিকের নিকট বিকাশের মাধ্যমে টাকা দাবি করত। তারা ৭ থেকে ১০ দিন সময় নিয়ে সিএনজি মালিকের কাছ থেকে টাকা আদায়ের প্রচেষ্টা চালাত। চোরাই সিএনজি ফেরত দিতে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিত। টাকা পাওয়ার পর কোন প্রত্যন্ত এলাকায় সিএনজি রেখে মালিককে ফোন করে জানিয়ে দিত।

তাদের প্রত্যেকের নামেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। - ডিএমপি নিউজ



মন্তব্য