kalerkantho


মতবিনিময় সভায় রেলমন্ত্রী

রেলের উন্নয়নে নিরাপত্তা ও সেবামূলক খাতে জোর দেওয়া হবে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৫:৫৯



রেলের উন্নয়নে নিরাপত্তা ও সেবামূলক খাতে জোর দেওয়া হবে

ফাইল ছবি

রেলখাতে সেবার মান বাড়িয়ে যুগপোযোগী করে মানুষের চাহিদার কাছাকাছি নিয়ে যাওয়াই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়ে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, রেলের উন্নয়নের জন্য নিরাপত্তা, সাশ্রয়ী, আরামদায়ক ও সেবামূলক খাতে জোর দেওয়া হবে। 

এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত মাস্টারপ্লান বাস্তবায়ন ও সে অনুযায়ী দেশের প্রতি জেলায় রেল স্থাপনের জন্য কাজ করে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আজ রবিবার রেল ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় রেলমন্ত্রী এসব কথা জানান। 

নুরুল ইসলাম বলেন, সারাবিশ্বে রেলের উন্নয়ন খুব দ্রুত হচ্ছে। আমরাও পিছিয়ে থাকব না। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর ১০টি মেগা প্রকল্পের মধ্যে রেলের দুইটি প্রকল্প রয়েছে। রেল এখন ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এ খাতে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার ও চীনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ট্রান্স এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। 

তিনি আরো বলেন, রেল এখন পর্যন্ত লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারেনি। তবে গত ১০ বছরে রেলখাত কিছু হলেও মানুষের আস্থার জায়গায় যেতে পেরেছে। আমি জনগণের প্রতিনিধি, জবাবদিহি করতে বাধ্য। প্রধানমন্ত্রীর ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করব। এজন্য বুলেট ট্রেন, স্টেশনের উন্নয়ন, টিকিট কালোবাজারি বন্ধ, দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং মনিটরিং ব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। 

দক্ষ জনবল নিয়োগের বিষয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, হাইকোর্টের মামলার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমস্যা হচ্ছে। পূর্বাঞ্চলের জন্য ৮৬ জন স্টেশন মাস্টার, আর দক্ষিণাঞ্চলের জন্য ৪৩ জন মাস্টার নিয়োগ দেওয়া হবে শিগরগিই।

টিকিট কালোবাজারির বিষয়ে নুরুল ইসলাম বলেন, টিকিট কালোবাজারি বন্ধ করতে এখন থেকে টিকিট কিনতে এনআইডি নম্বর বা কার্ড ইস্যুর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই একটি সেবার জন্য এ খাতের বদনাম হচ্ছে। এছাড়া টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে যে জেলায় যে টিকিট বরাদ্দ দেওয়া আছে তা যেন বজায় থাকে। 

রেলকে সার্বজনীন করতে কাজ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের সেবা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আগামী ৫ বছরের দায়িত্ব দিয়েছেন। রেলের সেবার মান বৃদ্ধি কার জন্য যা কিছু করার দরকার করবো। গত ১০ বছরে রেল এগিয়েছে। তবে কাঙ্ক্ষিত স্থানে যেতে পারেনি। কিছু সংখ্যক লোক এখাতের বদনাম করছে। আশা করছি রেলকে আরো বেশি আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গায় নিয়ে যেতে পারব।

মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন রেলের সচিব মোফাজুল হোসেন, অতিরিক্ত সচিব মজিবুর রহমান, প্লানিং অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন, এ ডি জি আর এইচ সামসুর জামানসহ অন্য কর্মকর্তারা। 



মন্তব্য