kalerkantho


'মানবাধিকার রক্ষায় সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৭:৩২



'মানবাধিকার রক্ষায় সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে'

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নারী, শিশু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীসহ সকল নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আজ এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান। আগামীকাল ১০ ডিসেম্বর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে এ দিবস পালিত হবে।

মানবাধিকার সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’ পালিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। 

তিনি বলেন, মানবাধিকার রক্ষা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর এইদিন ‘বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে বাংলাদেশের সংবিধানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সকল মানবাধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। 
সরকার মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০০৯ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা করেছে। একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ কমিশন মানবাধিকার সুরক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এ বছর বাংলাদেশ তিন বছরের জন্য জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে, যা মানবাধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। মানবতার এ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মর্যাদাপূর্ণ ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘২০১৮ স্পেশাল ডিস্টিংকশন অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং অ্যাচিভমেন্ট’ প্রদান করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের পাশাপাশি মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখা সকলের দায়িত্ব। আমি আশা করি, মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের প্রতিকার পাওয়ার পথ সুগম করতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।



মন্তব্য