kalerkantho


হেকেপ ও ইরাবের যৌথ কর্মশালা

৪৭ বছরে বাংলাদেশের পেটেন্ট ৬৭৯, যুক্তরাষ্ট্রের ৭৯৬২৪, চীনের ৪৮৮৮২

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ নভেম্বর, ২০১৮ ২০:০৩



৪৭ বছরে বাংলাদেশের পেটেন্ট ৬৭৯, যুক্তরাষ্ট্রের ৭৯৬২৪, চীনের ৪৮৮৮২

মেধাস্বত্ত্ব সংরক্ষণ না করায় বাংলাদেশ প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা হারাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ৪৭ বছরে দুই হাজার ৭২টি পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছে, যার মধ্যে গৃহীত হয়েছে ৬৭৯টি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের ৭৯ হাজার ৬২৪টি এবং চীনের ৪৮ হাজার ৮৮২টি পেটেন্ট গৃহীত হয়েছে। তবে শিক্ষা বিষয়ক সাংবাদিকরাই মেধাস্বত্ব অধিকার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে পারেন। বিজ্ঞানীদের-গবেষকদের উদ্ভাবন নিয়ে বেশি বেশি সংবাদ প্রকাশ করলে বিজ্ঞানীরা উত্সাহ বোধ করবেন। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর পিআইবি মিলনায়তনে মেধাস্বত্ত্ব অধিকার বিষয়ক এক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এডুকেশন রিপোটার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) এর সহযোগিতায় হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যানহান্সমেন্ট প্রজেক্ট (হেকেপ) এই কর্মশালার আয়োজন করে। 

হেকেপে’র প্রকল্প পরিচালক ড. গৌরাঙ্গ চন্দ্র মোহান্ত বলেন, আমাদের প্রকল্প থেকে ইতিমধ্যে গবেষনার জন্য ৪০০ এর বেশি সাব প্রজেক্ট দিয়েছি। এজন্য ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ৮০২ কোটি টাকা। এরমধ্যে ১০টা সাব প্রজেক্টে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬৪ কোটি টাকা। এই প্রজেক্টের মাধ্যমেই আমাদের শিক্ষকরা রক্তের মাধ্যমে ক্যান্সার রোগ নির্ণয়, গবাদি পশুর খুরা রোগ নির্ণয়সহ যুগান্তকারি আবিষ্কার করেছেন।

কর্মশালায় মেধাস্বত্ব অধিকার, আইন ও আবেদনসহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস এন্ড ইনোভেশন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. অরবিন্দ চিনচুরে। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের একজন অধ্যাপকই পেটেন্টের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে প্রতিবছর ৩০ বিলিয়ন ডলার আয় করে দিচ্ছে। বাংলাদেশে এখন তরুনদের সংখ্যা বেশি। ফলে তাদের সামনে বিপুল সম্ভাবনা। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষনায় জোর দিতে হবে এবং মেধাস্বত্ত্ব সংরক্ষন করতে হবে।

কর্মশালায় জানানো হয়, একটি গবেষনার জন্য তিনটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। সেগুলো হলো-আবিষ্কারের নতুনত্ব, সৃজনশীলতা এবং শিল্প বা বানিজ্যিকভাবে গবেষনাটি ব্যবহার উপযোগী কীনা?

হেকেপের মিডিয়া কনসালট্যান্ট মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউসিজি) সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল্লা, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অপরেশন্স অফিসার ড. মো. মোখলেছুর রহমান, ইরাব সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক সাব্বির নেওয়াজ প্রমুখ। 



মন্তব্য