kalerkantho


১২ নভেম্বর স্মরণে আলোচনা সভা

উপকূলবাসীকে রক্ষায় সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ নভেম্বর, ২০১৮ ২৩:০৪



উপকূলবাসীকে রক্ষায় সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি

ছবি: কালের কণ্ঠ

দুর্যোগের কবল থেকে উপকূলবাসীকে রক্ষায় সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন পেশার নাগরিকেরা। সোমবার রাজধানীর পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবনের প্রগতি হলে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তাঁরা এই দাবি জানান। সভায় মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলের লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানির দিন ১২ নভেম্বরকে ‘উপকূল দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানেরও দাবি জানানো হয়।

উপকূল বাংলাদেশসহ ১০টি বেসরকারি সামাজিক সংগঠন দিবসটি স্মরণে রাজধানী ঢাকাসহ উপকূলের ১৬ জেলায় ৫৪ স্থানে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এর মধ্যে ছিল মানববন্ধন, র‌্যালি, আলোচনা সভা, দোয়া মোনাজাত, মোমবাতি প্রজ্জলন ও স্মারকলিপি পেশ। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে। 

উপকূল দিবস বাস্তবায়ন কমিটির কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মন্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) হোসান ইউসুফ খান, জাতীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সেকেন্দার হায়াৎ, চিত্রশিল্পী সুজন মাহবুব, সাংবাদিক হরলাল রায় সাগর, মেজবাহ উদ্দিন মান্নু, বাংলাদেশ বেতারের ধারা ভাষ্যকার আনোয়ার কবীর, পরিবেশকর্মী জামিল জাহাঙ্গীর, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাইফুল ইসলাম মাছুম প্রমুখ। 

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের উপকূলে রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। উপকূলের বিপুল জনগোষ্ঠী জাতীয় অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছে। তা সত্বেও এ অঞ্চলের প্রায় ৫ কোটি মানুষ চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। যুগের পর যুগ বহু এলাকা অরক্ষিত থেকে যাচ্ছে। তারা আরো বলেন, এ দিবসটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, সংবাদ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে উপকূলে গুরুত্ব বাড়বে। এর মধ্য দিয়ে উপকূলের সুরক্ষা ও সেখানকার জনগোষ্ঠীর অধিকার ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হবে।



মন্তব্য