kalerkantho


আইন ও সালিশ কেন্দ্রের দাবি

রাজনৈতিক দলের কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে গণগ্রেপ্তার চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০৪:০৪



রাজনৈতিক দলের কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে গণগ্রেপ্তার চলছে

বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দলের কর্মসূচী কেন্দ্র করে গণগ্রেপ্তারের ঘটনা চলছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজে বাঁধা দেওয়া, ককটেল বিস্ফোরণসহ নাশকতা ঘটানো এবং নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ এনে ঢালাওভাবে এই গ্রেপ্তার চরছে। এসব ঘটনায় নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে সংগঠনটি।

গতকাল বৃস্পতিবার সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই কথা বলা হয়েছে। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সরকারি কাজে বাঁধা দেওয়া, ককটেল বিস্ফোরণসহ নাশকতা ঘটানো এবং নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ এনে ঢালাওভাবে গ্রেপ্তার করছে।

আরো জানা যাচ্ছে যে, গত ৭ নভেম্বর ঢাকা মহানগর এবং ঢাকার জেলা পুলিশ নাশকতার মামলায় ৪৩১ জনকে ঢাকার আদালতে হাজির করেছে। এদের মধ্যে প্রায় ৩১০ জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশকে কেন্দ্র করে এ গণগ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে আশংকা করা হচ্ছে।’

আসক বলেছে, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ধরনের ঘটনা সংবিধান স্বীকৃত গ্রেপ্তার ও আটক সংক্রান্ত রক্ষাকবচ (অনুচ্ছে ৩৩) এবং চলাচলের স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৬) এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আইন ও সালিশ কেন্দ্র মনে করে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এরূপ আচরণ গণতন্ত্র ও ভিন্নমত প্রকাশের চর্চা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিরূপ ধারণা তৈরি করবে। সেই সাথে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করবে। তাই গণগ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছে আসক। পাশাপাশি, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানাচ্ছে।



মন্তব্য