kalerkantho


এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী সংসদে

প্রতিবন্ধীবান্ধব ফুটপাত এখন তৈরি হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ অক্টোবর, ২০১৮ ০১:০৫



প্রতিবন্ধীবান্ধব ফুটপাত এখন তৈরি হচ্ছে

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, পথচারীদের চলাচলের জন্য রাজধানীতে ফুটপাত সর্বদা উন্মুক্ত থাকে। কিন্তু কিছু দখলদার বেআইনিভাবে মাঝেমধ্যে ফুটপাত দখল করে নিজ নিজ ব্যবসা পরিচালনা করে। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তায় অবৈধ দখল/ফুটপাত উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহতভাবে পরিচালনা করছে। নতুনভাবে নির্মাণ/উন্নয়নকালে ফুটপাতগুলো প্রতিবন্ধীদের চলাচলের উপযোগী করে তৈরি করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এরই মধ্যে ৮০ কিলোমিটার প্রতিবন্ধীবান্ধব ফুটপাত নির্মাণ করেছে। 

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এসংক্রান্ত প্রশ্নটি তোলেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফ। জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আদালতের নির্দেশনার আলোকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ ফুটপাত থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে বদ্ধপরিকর। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের হাওর এবং নিচু এলাকার কিছু সড়ক বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কার মধ্যে থাকে। এসব সড়ক বিশেষ প্রযুক্তিতে নির্মাণ করা হচ্ছে, যা বর্ষাকালে ডুবে থাকে এবং শুষ্ক মৌসুমে সড়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

সরকারি দলের সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়ার লক্ষ্য সামনে রেখে দেশের ছিন্নমূল, ভিক্ষুকসহ সব হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে প্রকল্পভুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধিত মেয়াদ জুন ২০২০ সালের মধ্যে ছিন্নমূলসহ সব হতদরিদ্র মানুষকে পর্যায়ক্রমে প্রকল্পের উপকারভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে স্থায়ী তহবিল গঠন এবং আত্মকর্মসংস্থান নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাদের দারিদ্র্য বিমোচন করা হবে। 

৮১ কারখানা : সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের প্রশ্নের জবাবে সংসদ কার্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী জানান, প্রাইভেটাইজেশন কমিশন গঠনের পর থেকে কমিশনের সুপারিশে মোট ৮১টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মিল-কারখানা বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯টি, মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে চারটি, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩০টি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পাঁচটি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সরকারি শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে ২০টি এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সরকারি শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে তিনটি প্রতিষ্ঠান বেসরকারি করা হয়েছে।



মন্তব্য