kalerkantho


'অনেক সচ্ছল পরিবারেও অপুষ্ট শিশু বেড়ে উঠছে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ অক্টোবর, ২০১৮ ১০:৫২



'অনেক সচ্ছল পরিবারেও অপুষ্ট শিশু বেড়ে উঠছে'

ছবি অনলাইন

বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দারিদ্রের হার কমে আসলেও পুষ্টিহীনতা এখনও একটি বড় সমস্যা হিসেবে থেকে গেছে। অনেক সচ্ছল পরিবারেও অপুষ্ট শিশু বেড়ে উঠছে বলে উঠে এসেছে বিশ্বব্যাংকের হিসাবে।

সম্প্রতি  বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে পুষ্টিসমৃদ্ধ বা খাদ্য নিরাপত্তা রয়েছে এমন পরিবারগুলোতে ৫৫ ভাগ ছেলে এবং ৪৭ ভাগ মেয়ে অপুষ্টিতে ভুগছে। ‘পভার্টি এন্ড শেয়ার্ড প্রসপারিটি ২০১৮: পাইসিং টুগেদার দ্য পভার্টি পাজল’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এমনটি উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ১৫ দশমিক ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। ফলে ২ কোটি ৪৪ লাখ মানুষ এখন দারিদ্র্য সীমার নিচে রয়েছে। বাংলাদেশের মতো উচ্চ দারিদ্র্য হারের অনেক দেশ নিজেদের অর্থনীতির আকার বাড়িয়ে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে।
 
মূলত দৈনিক ১ দশমিক ৯০ ডলার আয়ের নিচে রয়েছে এমন মানুষদের দরিদ্র হিসেবে গণ্য করে বিশ্বব্যাংক। সে হিসাবে ২০১৩ সাল থেকে পরবর্তী দুই বছরে বিশ্বে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমেছে ৬ কোটি ৮৩ লাখ। এ সময়ে বিশ্বে ৮০ কোটি ৪২ লাখ থেকে কমে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ কোটি ৫৯ লাখে। দক্ষিণ এশিয়ায় দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ২৭ কোটি ৪৫ লাখ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি ৬৪ লাখে। দুই বছরে দারিদ্র্য জয় করা মানুষের ৮৫ শতাংশের বেশি দক্ষিণ এশিয়ায়।
 
বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বলেন, বিশ্বে এখন চরম দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অতীতের যে কোনো সময়ের চাইতে কম। বর্তমান প্রজন্মের জন্য এটা অনেক বড় অর্জন। তবে  ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য দূর করতে হলে আমাদের আরো অনেক বেশি বিনিয়োগ করতে হবে। মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।



মন্তব্য