kalerkantho


একই আসনে বিএনপির সম্ভাব্য দুই প্রার্থী

এনাম আবেদীন   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৫:৩০



একই আসনে বিএনপির সম্ভাব্য দুই প্রার্থী

আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল ও জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি খসড়া তালিকা তৈরি করে রেখেছে বিএনপি। কালের কণ্ঠ’র হাতে আসা ওই তালিকায় দেখা যায়, জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোকে ১৮টি আসনে পুরোপুরি ছাড় দেওয়া হতে পারে। আর ২০ দলীয় জোটের শরিক দল অথবা বিকল্প হিসেবে বিএনপির প্রার্থীর নাম উল্লেখ আছে ১১টি আসনে। সমঝোতা হলে সব মিলিয়ে ৩১টি আসন শরিক দলগুলোকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রাথামিকভাবে ওই খসড়া তালিকা করেছে বিএনপি। তবে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতা আলাপকালে কালের কণ্ঠকে বলেছেন, ওই তালিকাই চূড়ান্ত নয়।

বেশ কিছু আসনে বিএনপির একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী থাকায় খসড়া তালিকায় একক নাম স্থান পায়নি। তালিকায় সম্ভাব্য দুজনের নাম রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য ওই প্রার্থীরা হলেন— 

দিনাজপুর-৪ আখতারুজ্জামান মিয়া অথবা হাফিজুর রহমান, নীলফামারী-৪ আমজাদ হোসেন সরকার অথবা শিল্পী বেবী নাজনীন, রংপুর-৩ মোজাফফর হোসেন অথবা রিটা রহমান, কুড়িগ্রাম-৪ আজিজুর রহমান অথবা মোখলেসুর রহমান, গাইবান্ধা-২ কমোডর শফিকুর রহমান অথবা আনিসুজ্জামান বাবু, গাইবান্ধা-৫ হাসান আলী অথবা মোহাম্মদ আলী, জয়পুরহাট-১ ফয়সল আলীম অথবা ফজলুর রহমান, বগুড়া-৪ জেড আই এম মোস্তফা আলী অথবা ডা. জিয়াউল হক মোল্লা, বগুড়া-৫ জানে আলম খোকা অথবা শফিউজ্জামান খোকন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ অধ্যাপক শাহজাজান মিয়া ও সৈয়দ শাহিন শওকত, নওগাঁ-৬ আনোয়ার হোসেন ও আলমগীর কবির, রাজশাহী-৩ কবির হোসেন ও সৈয়দ শাহীন শওকত, রাজশাহী-৪ আবদুল গফুর ও আবু হেনা, রাজশাহী-৬ আবু সাঈদ চান ও দেবাশীষ রায় মধু, নাটোর-৪ মো. মোজাম্মেল হক ও আবদুর রশীদ, সিরাজগঞ্জ-১ কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা ও আবদুল মজিদ, সিরাজগঞ্জ-৫ রাকিবুল ইসলাম খান পাপ্পু ও আমীরুল ইসলাম খান আলীম, সিরাজগঞ্জ-৬ কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া খান মজলিস ও ডা. এম এ মুহিত (ডা. মতিনের ছেলে), পাবনা-৫ কামরুল হাসান মিন্টু ও শিমুল বিশ্বাস, কুষ্টিয়া-২ অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ও ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী, মাগুরা-১ ইকবাল আকতার খান কাফুর ও কবির মুরাদ, নড়াইল-১ বিশ্বাস জাহাঙ্গির আলম ও ডা. মনিরুল ইসলাম টিপু, বাগেরহাট-২ মনিরুল ইসলাম খান ও এম এ সালাম, খুলনা-৩ কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম ও রফিকুল ইসলাম বকুল, বরগুনা-১ মতিয়ার রহমান তালুকদার ও অ্যাডভোকেট মজিদ মল্লিক, পটুয়াখালী-৩ শাহজাহান খান ও গোলাম মওলা রনি, বরিশাল-১ জহিরউদ্দিন স্বপন ও ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান, বরিশাল-২ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সরদার সরফুদ্দিন আহমদ, বরিশাল-৩ সেলিমা রহমান ও অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, ঝালকাঠি-২ মাহবুবুল হক নান্নু ও ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, পিরোজপুর-২ গাজী নুরুজ্জামান বাবুল ও সোহেল মঞ্জুর সুমন, পিরোজপুর-৩ কর্নেল (অব.) শাহজাহান মিলন ও ডা. রুস্তম আলী ফরাজী, টাঙ্গাইল-৬ অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী ও নূর মোহম্মদ খান, জামালপুর-১ রশীদ জামান মিল্লাত ও শহিদা আক্তার রিতা, জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু ও আবদুল হালিম, জামালপুর-৫ নিলোফার চৌধুরী মনি ও ওয়ারেস আলী মামুন, ময়মসসিংহ-১ এমরান সালেহ প্রিন্স ও আফজল এইচ খান, ময়মনসিংহ-৪ ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও এ কে এম মোশাররফ হোসেন, ময়মনসিংহ-৫ এ কে এম মোশাররফ হোসেন ও জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-১০ এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান ও মুশফিকুর রহমান (ফজলুর রহমান সুলতানের ছেলে), নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, গোলাম রাব্বানী ও আবদুল করিম আব্বাসী, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হিলালী ও দেলোয়ার হোসেন দুলাল, নেত্রকোনা-৪ লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান ও সৈয়দ আতাউল হক, নেত্রকোনা-৫ রাবেয়া আলী ও আবু তাহের তালুকদার, কিশোরগঞ্জ-১ রেজাউল করিম খান চুন্নু ও মাসুদ হেলালী, মানিকগঞ্জ-১ খন্দকার আখতার হামিদ ডাবলু ও ড. খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু, মুন্সীগঞ্জ-৩ আবদুল হাই ও কামরুজ্জামান রতন, ঢাকা-৬ সাদেক হোসেন খোকা, না করলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৯ আফরোজা আব্বাস ও শিরিন সুলতানা, ঢাকা-১১ মো. শাহাবুদ্দিন ও সাইফুল আলম নিরব, ঢাকা-১৪ এস এ খালেক, না করলে তাঁর ছেলে সাজু খালেক, ঢাকা-২০ ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান ও মিসেস সুলতানা আহমেদ, গাজীপুর-১ আসনে মো. মজিবুর রহমান ও কাজী সাইদুল আলম বাবুল, নরসিংদী-৩ মঞ্জুর এলাহী, অ্যাডভোকেট সানাউল্লা মিয়া ও তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, নরসিংদী-৪ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও লে. কর্নেল (অব.) জয়নুল আবেদিন, নারায়ণগঞ্জ-১ অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও কাজী মনিরুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আতাউর রহমান খান ও বদরুজ্জামান খান, নারায়ণগঞ্জ-৩ অধ্যাপক রেজাউল করিম ও আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ-৪ শাহ আলম ও মো. গিয়াসউদ্দিন, গোপালগঞ্জ-১ মেজর জে. (অব.) মহব্বত জান চৌধুরী ও সেলিমুজ্জামান সেলিম, শরীয়তপুর-১ তাহমিনা আওরঙ্গ ও শহিদুল হক সিকদার, শরীয়তপুর-২ সুলতান মাহমুদ ও শফিকুর রহমান, সুনামগঞ্জ-১ ডা. রফিক চৌধুরী অথবা নজির হোসেন, সুনামগঞ্জ-৩ কয়সর আহমেদ ও নুরুল ইসলাম সাজু, সুনামগঞ্জ-৫ মিজানুর রহমান চৌধুরী ও কলিমউদ্দিন মিলন, সিলেট-৪ দিলদার হোসেন সেলিম ও অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান, সিলেট-৬ এনাম আহম্মদ চৌধুরী ও ফয়সল আহমেদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার-২ এম এম শাহীন ও অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, হবিগঞ্জ-৩ জি কে গউস ও আবু লেইস মবিন চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ অ্যাডভোকেট হারুন-অর-রশীদ ও খালেদ মাহমুদ শ্যামল, ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৫ কাজী তাপস ও তকদির হোসেন মো. জসিম, ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৬ রফিক শিকদার ও এম এ খালেক, কুমিল্লা-৩ শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, না করলে তাঁর ভাই জুন্নন বশরী, কুমিল্লা-৯ কর্নেল (অব.) আনোয়ারুল আজিম ও আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০ মনিরুল হক চৌধুরী ও আ. গফুর ভূঁইয়া, চাঁদপুর-১ এহসানুল হক মিলন ও তাঁর স্ত্রী বেবী, চাঁদপুর-২ তানবির হুদা ও জালাল আহম্মদ, চট্টগ্রাম-২ ফরহাত কাদের চৌধুরী, সাংবাদিক কাদের গনি চৌধুরী ও ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকার, চট্টগ্রাম-৬ হুম্মাম কাদের চৌধুরী ও ফরহাত কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ মঞ্জুর মোর্শেদ খান ও আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-৮ ডা. শাহাদৎ হোসেন ও এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১১ গাজী মো. শাহজাহান ও এনামুল হক এনাম, কক্সবাজার-১ সালাহ উদ্দিন আহমেদ (ভারতে আছেন), না করতে পারলে তাঁর স্ত্রী হাসিনা আহমেদ এবং বান্দরবান-১ সা চিন প্রু জেরী ও ম্যামা চিং।

বগুড়া-৬ এবং বগুড়া-৭ আসন দুটি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

বিস্তারিত : বিএনপির ১৭৩ প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত



মন্তব্য