kalerkantho


শান্তিরক্ষা মিশন মালিতে যাচ্ছেন ২৮০ সদস্য

বিদেশে বাংলাদেশের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে : আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৯:১৩



বিদেশে বাংলাদেশের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে : আইজিপি

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের মর্যাদা ও গৌরব অক্ষুণ্ন রাখার জন্য পুলিশ সদস্যদেরকে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। 

আজ সোমবার বিকালে পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন মালিগামী দুটি কন্টিনজেন্টের পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রি-ডেপ্লয়মেন্ট ব্রিফিংকালে তিনি এই আহ্বান জানান। 

শান্তিরক্ষী পুলিশ সদস্যদেরকে বাংলাদেশের দূত আখ্যায়িত করে পুলিশ প্রধান জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, আপনারা প্রত্যেকে একখণ্ড বাংলাদেশ। বিদেশের মাটিতে দেশকে তুলে ধরা, দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা আপনাদের পবিত্র দায়িত্ব। দেশের মর্যাদা হানিকর কোনো কাজে জড়িত হওয়া যাবে না। 

তিনি বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে সর্বোচ্চ শৃঙ্খলাবোধ ও উঁচুমানের নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে। জাতিসংঘের ম্যান্ডেট অনুযায়ী মিশন এলাকার জনগণের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। তিনি পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ সদস্যদেরকে নির্দেশ দেন। 

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) মহসিন হোসেন, ডিআইজি (মিডিয়া এন্ড প্ল্যানিং) এসএম রুহুল আমিন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।

মালি-১ ও মালি-২ এ দুটি কন্টিনজেন্টের প্রতিটিতে ১৪০ জন করে মোট ২৮০ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। মালি-১ কন্টিনজেন্টের কমান্ডারের দায়িত্বে রয়েছেন পুলিশ সুপার ফারুক হোসেন এবং মালি-২ কন্টিনজেন্টের কমান্ডার হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আলমামুন। 

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে নামিবিয়া মিশনের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ শাস্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের পদযাত্রা সূচিত হয়। বাংলাদেশ পুলিশ গত প্রায় ৩০ বছর ধরে বিশ্বের যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় অত্যন্ত সুনাম ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে। পুলিশের ১৮ হাজার ৪২২ জন সদস্য ইতোমধ্যে সফলতার সাথে শান্তিরক্ষা মিশন শেষ করে দেশে ফিরে এসেছেন। বিশ্ব শান্তিরক্ষায় জীবন উত্সর্গকারী ২০ জন নির্ভীক পুলিশ সদস্য বিশ্ববাসীর হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। 



মন্তব্য