kalerkantho


স্বজনরা চাইলেই দেখা করতে পারছেন: সেতুমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ জুন, ২০১৮ ১৩:৫৭



স্বজনরা চাইলেই দেখা করতে পারছেন: সেতুমন্ত্রী

স্বজনরা যখনই চাইছেন, তখনই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে জেল কোড অনুযায়ী দেখা করতে পারছেন। ওটা জেলখানা কারো বাসভবন নয়, যে বিএনপি নেতারা যখন-তখন দেখা করতে পারবেন। এ সুযোগ জেল কোডে নাই। আজ সোমবার ঈদের পরে প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের একথা বলেন। কারাবন্দি থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনা স্কয়ারে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। তবে খালেদা জিয়া কেন ইউনাইটেডে চিকিৎসা নিতে পারবেন না, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের নেত্রীকে সিএমএইচে চিকিৎসা করানোর সুযোগ পেলে স্কয়ারে নিয়ে যেতাম না।   

তিনি বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে  প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা বেটার করতে পেরেছি। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। তারপরও  ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হয়েছে সেটাই স্বস্তির বিষয়। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হাইওয়ে পুলিশ, র‍্যাব সবাই সহযোগিতা করেছে। এজন্য তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। সরকারের এই প্রচেষ্টার সঙ্গে জনপ্রতিনিধিরাও যুক্ত ছিলেন। অনেক আশঙ্কা, আতঙ্কের পরও ঈদযাত্রা যে এতটা স্বস্তিদায়ক হবে ভাবিনি।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ইস্যুতে মন্ত্রী বলেন, সিএমএইচ (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল) হলো সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতাল। কেন যে তিনি সেখানে চিকিৎসা নিতে চান না তা আমাদের জানা নেই। আমার এখন সন্দেহ হয় বিএনপি নেতারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নয়, রাজনীতি করার ইস্যু খুঁজছেন। তাদের কাছে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নয়, ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ।

বিএনপি নেতাদের বিদেশ সফর সম্পর্কে তিনি বলেন, জনগণের প্রতি তাদের আস্থা নেই। তাই তারা এখন বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছেন। কখনও ব্যাংকক, কখনও দুবাই, কখনও লন্ডন। কোথায় কে কী করছেন সরকারের কাছে সব খবর আছে। দেশের মানুষ এখন নির্বাচনি আমেজে আছে, মুডে আছে। ২৬ জুন গাজীপুরে নির্বাচন। ৩০ জুলাই অন্য তিনটি সিটিতে নির্বাচন। এরপরেই জাতীয় নির্বাচন। এগুলো হলো সেমিফাইনাল। বছর শেষে হবে ফাইনাল।

উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি পায়নি দলটির নেতাকর্মীরা। ফলে গত শনিবার কারাফটকের সামনে থেকেই ফিরে যান তারা। আর সাক্ষাতের অনুমতি না দেয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি না দেয়ার ঘটনাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 



মন্তব্য