kalerkantho


দ্বন্দ্বের জেরে খুন এটিএম বুথের নিরাপত্তা কর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ মে, ২০১৮ ০৩:৩৪



দ্বন্দ্বের জেরে খুন এটিএম বুথের নিরাপত্তা কর্মী

প্রতীকী ছবি

একই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন নিহত শেখ তাহিদুল ইসলাম নূরনবী ও রাসেল শেখ নয়ন। গত বছরের জুলাইয়ে বাগেরহাটে নৌকাবাইচ দেখতে যান দু’জন। সেই সময় অসাবধানতায় রাসেলের সাইকেল নূরনবীর গায়ে লাগে। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে রাসেলকে মারধরও করেন নূরনবী। এক বছর আগের সেই ঘটনার জের ধরে রাসেল ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) এটিএম বুথের নিরাপত্তাকর্মী নূরনবীকে খুন করেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

গতকাল বুধবার দুপুরে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১ এর কোম্পানি কমান্ডার (সিপিসি-১) মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম। গত সোমবার ঢাকার সেনানিবাস এলাকায় ইবিএল’র একটি এটিএম বুথ থেকে নূরনবীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকা থেকে রাসেলকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১। 

মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ২০ মে রাতে নূরনবী বুথে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাসেল ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় লোক নিয়োগের পোস্টারিং করত। ওইদিন রাতে বুথে গিয়ে নূরনবীকে দেখে রাসেল ক্ষিপ্ত হয়। এরপর দু’জনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এরপর তাদের মধ্যে হাতাহাতির একপর্যায়ে রাসেল ছুরি দিয়ে নূরনবীর গলায় আঘাত করে। তার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর এটিএম বুথের লাইট বন্ধ করে ছুরিটি পার্শ্ববর্তী ড্রেনে ফেলে দেয় এবং সে খুলনা পালিয়ে যায়।

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, এটিএম বুথের নিরাপত্তা কর্মী যেহেতু বুথেই থাকতেন, সেহেতু কাটাকাটির জন্য ছুরিটি সম্ভবতো সেখানেই ছিল।

নিহত নূরনবী ১ মে থেকে  'গ্লোব সিকিউরিটি সার্ভিস' নামের প্রতিষ্ঠানের অধীনে ইবিএল’র ওই বুথে নিরাপত্তা কর্মীর কাজ শুরু করেন। রাসেলও এই প্রতিষ্ঠানে গত এপ্রিল পর্যন্ত চাকরি করেছিলো। ৯ মে আইকন ফর সিকিউরিটি সার্ভিস নামের প্রতিষ্ঠানে রিক্রুটিং এজেন্ট হিসেবে কাজ শুরু করে রাসেল।


মন্তব্য