kalerkantho


অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডাকা হয়েছিল: এ কে আজাদ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ মে, ২০১৮ ১৫:০৪



অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডাকা হয়েছিল: এ কে আজাদ

একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমাকে ডাকা হয়েছিল। আমার যা বক্তব্য ছিল, দুদককে বলেছি। তদন্তেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। অভিযোগের বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এফবিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি এ কে আজাদ। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে আজ মঙ্গলবার সাড়ে তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। দুদকের পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মীর মো. জয়নুল আবেদিন শিবলী আজ মঙ্গলাবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে তাদের প্রধান কার্যালয়ে আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এর আগে গত ৯ মে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা থাকলেও বিদেশি ক্রেতার সাথে পূর্বনির্ধারিত আলোচনা থাকার কারণ দেখিয়ে দ্বিতীয় দফায় হাজির হননি তিনি। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক আজাদকে ১০ দিনের সময় দিয়ে ফের আজ তলব করা হয়েছিল। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে এ কে আজাদকে ৩ এপ্রিল প্রথম তলব করা হলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার কর-ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

২০১৭ সালের ১০ অক্টোবর হা-মীম গ্রুপের চেয়ারম্যান ব্যবসায়ী এ কে আজাদের ফনিক্স টাওয়ারের কার্যালয়ে অভিযোগ অনুসন্ধানে অভিযান করেছিল দুদক। দুদকের হটলাইন ওয়ান জিরো সিক্স নম্বরে এফবিসিসিআইয়ের প্রাক্তন এই সভাপতির বিরুদ্ধে সরকারি জমি আত্মসাতের অভিযোগ আসলে দুদক পরিচালক যায়েদ হোসেন খানের নেতৃত্বে একটি টিম ফনিক্স টাওয়ারের অফিসে যান। প্রায় এক ঘণ্টা ফিনিক্স টাওয়ারে অবস্থান করে ব্যবসায়ী এ কে আজাদকে না পেয়ে তার অফিসের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে চলে আসেন। এর পরপরই ওই অভিযোগসহ অবৈধ সম্পদ ও অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগ আমলে নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

 



মন্তব্য