kalerkantho


৯টি কৃষক-ক্ষেতমজুর সংগঠনের সভা

ধানের লাভজনক দাম, পল্লী রেশন ন্যায্য মজুরি ও গ্রামীণ বরাদ্দ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ মে, ২০১৮ ২৩:৪০



ধানের লাভজনক দাম, পল্লী রেশন ন্যায্য মজুরি ও গ্রামীণ বরাদ্দ দাবি

ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু করে সরকারি দামে কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়, গ্রামীণ বরাদ্দ লুটপাট বন্ধ ও পল্লী রেশনিং চালু, ন্যায্য মজুরি প্রদান এবং অসহায় লাখ লাখ কৃষকের নামে দায়েরকৃত সার্টিফিকেট মামলা প্রত্যাহার করে সুদমুক্ত কৃষি ঋণের দাবি জানিয়েছে ৯টি কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগঠনের নেতারা। আজ রবিবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ মুক্তিভবনে অনুষ্ঠিত সভায় এই দাবি জানানো হয়।

ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের সভাপতি সাইফুল হকের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন কৃষক সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম এ সবুর, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সভাপতি শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ জহির চন্দন, কৃষক ও ক্ষেতমজুর সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় নেতা আজিজুর রহমান, ক্ষেতমজুর সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রেজা, কৃষক ফোরামের মমিনুর রহমান বিশাল, ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের আকবর খান, ফিরোজ আহম্মেদ এবং কৃষক নেতা জয়নাল আবেদীন মুকুল, জাহিদ হোসেন খান, সুকান্ত শফি চৌধুরী, আবিদ হোসেন, অর্ণব সরকার, আরিফুল ইসলাম নাদিম প্রমুখ।

সভায় নেতারা বলেন, কৃষকের কষ্টে উপার্জিত ধান কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। তাই অবিলম্বে ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্রয়কেন্দ্র করে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করতে হবে। তারা আরো বলেন, কৃষকের পাশাপাশি ক্ষেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুরদের সারা বছর কাজ ও খাদ্যের নিশ্চয়তা নেই। মাত্র ৫ হাজার টাকা কৃষিঋণের জন্য কৃষকের কোমড়ে দড়ি পড়ে। অথচ হাজার হাজার কোটির ঋণ খেলাপিদের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেই। 

সভা থেকে অবিলম্বে পল্লী রেশন চালু করে ন্যূনতম মূল্যে খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ, গ্রামীণ প্রকল্প ও কর্মসূচির বরাদ্দ লুটপাট, দলীয়করণ বন্ধ এবং খাস জমি ভূমিহীনদের মধ্যে বরাদ্দ করার দাবি জাননো হয়।

২৮ মে দেশব্যাপী বিক্ষোভ সভা থেকে কৃষক ও ক্ষেতমজুরদের দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ২৮ মে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সকাল ১১টায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানানো হয়।



মন্তব্য