kalerkantho


'আইসিটি আইনের বিতর্কিত ধারা নিয়ে আলোচনা করা হবে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ এপ্রিল, ২০১৮ ১৯:৪৩



'আইসিটি আইনের বিতর্কিত ধারা নিয়ে আলোচনা করা হবে'

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের (আইসিটি) বিতর্কিত ধারা নিয়ে আগামী মে মাসের শেষের দিকে সংসদীয় কমিটিতে আলোচনা করে তা সংশোধন ও পরিমার্জন করা হবে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

বৈঠকে আইনমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে)-এর সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, মহাসচিব ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ মধুসূদন মণ্ডল ও সদস্য সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা সংগঠনের প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারাসহ বিভিন্ন ধারা সংশোধনে ১০টি পর্যবেক্ষণসহ একটি লিখিত প্রস্তাব তুলে ধরেন।

আনিসুল হক বলেন, আইসিটি মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, মে মাসের শেষে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ সম্পাদক পরিষদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওর্নাসের (অ্যাটকো) নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় কমিটিতে খোলামেলা আলোচনা করে যে আইনটা করতে পারবো সেটা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, কেউ ভীত হবে না। এটাই হচ্ছে আমাদের আসল উদ্দেশ্য। আলোচনার মাধ্যমে এই উদ্দেশ্য সাধিত হবে।

আনিসুল হক বলেন, সম্পাদক পরিষদ এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধনের যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা যৌক্তিক। তবে কিছু কিছু ধারার বিষয়ে সংসদীয় কমিটির বক্তব্য শুনলে অনেক কিছুই পরিষ্কার হবে এবং ধারাগুলো সংশোধনের ব্যাপারে যেসব প্রস্তাবনা এসেছে সেগুলোরও হয়তবা কিছু সংশোধন বা পরিমার্জন বা পরিবর্ধন হবে।

বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসী উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধানে সংবাদ পত্র ও বাক স্বাধীনতার বিষয়ে যে কথা বলা আছে তা বর্তমান সরকার অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। তাই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংবাদ পত্র ও বাক স্বাধীনতা হরণের বিষয়ে কোনো কিছু থাকলে সেটা দূর করার জন্য যে যে প্রচেষ্টা করা দরকার সরকার তা করবে। 

তিনি বলেন, সংসদীয় কমিটিতে এই ব্যাপারে খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে যে আইন হবে তা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। সেই আইনটায় কেউ ভীত হবে না এবং এ ধরণের আইন করাই হচ্ছে সরকারের আসল উদ্দেশ্যে। সেই উদ্দেশ্য এই আলোচনার মাধ্যমে সাধিত হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

বৈঠকে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক উপস্থিত ছিলেন। 

বিএফইউজের লিখিত প্রস্তাবের বিষয়ে মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, আমরা একটা লিখিত মতামত আইনমন্ত্রীকে দিয়েছি। বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে আমাদের ১০টি পর্যবেক্ষণ এবং একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আছে। স্পিকারের কাছে রবিবার একই প্রস্তাবনা আমরা উপস্থাপন করেছি। আমরা আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললাম, তিনি আমাদের বলেছেন- সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে যদি বিস্তারিত আলোচনা হয়, তাহলে নিশ্চয় একটা ভালো ফল পাওয়া যাবে।


মন্তব্য