kalerkantho


সুষ্ঠু নির্বাচনে কমিশনের সদিচ্ছা থাকতে হবে : সুজন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ এপ্রিল, ২০১৮ ১৭:৩৬



সুষ্ঠু নির্বাচনে কমিশনের সদিচ্ছা থাকতে হবে : সুজন

ভোট কেন্দ্রে ব্যাপকভাবে গণজোয়ার সৃষ্টি করলে প্রশাসন বা যারা কারচুপির ফাঁদ পাতে তাদের অপকৌশল ব্যর্থ হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন দেশের স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা আছে। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনে কমিশনের সদিচ্ছা থাকতে হবে। নির্বাচনকালীন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন।

আজ সোমবার সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ও নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এমন মন্তব্য করেন।

এতে সাবেক নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যে পার্টি বিরোধী দলে থাকে, সে পার্টি নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিরাট ভূমিকার মধ্যে চলে যায়। ২০০৩ সালের ইউপি নির্বাচনে সেনা চেয়ে সিইসি পাননি। আবার ১১৭ জন মানুষ মারা গেলে তাকে ইমপিচমেন্টের (অভিশংসন) জন্য জাতীয় সংসদে আলোচনা হয়। সেই নির্বাচন হয়েছিল রক্তাক্ত নির্বাচন।

তিনি বলেন, ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স আগের রাতে কেন্দ্রে না পাঠিয়ে, ভোটের দিন সকালে পাঠাতে হবে। আর ভোটের সময় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টার পরিবর্তে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত করা উচিৎ।

এ ছাড়া সুজনের পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন সমাপ্তির অন্তত এক সপ্তাহ পর্যন্ত নির্বাচন সংক্রান্ত নানা ধরনের অভিযোগ গ্রহণ এবং তা প্রতিকারের একটি ব্যবস্থা সৃষ্টি করা উচিত। নির্বাচনী ব্যয় পর্যবেক্ষণের একটি সুষ্ঠু পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সুজনের সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান, সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া প্রমুখ।



মন্তব্য