kalerkantho


'নিরাপদ পোল্ট্রি উৎপাদনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ এপ্রিল, ২০১৮ ২৩:৩০



'নিরাপদ পোল্ট্রি উৎপাদনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে'

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, আগামীর তরুণ প্রজন্মের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ‘খাদ্য নিরাপত্তা’ এবং ‘নিরাপদ খাদ্য’ নিয়ে কাজ ও গবেষণা শুরু হয়েছে।

আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর খিলক্ষেত নিকুঞ্জ ঢাকা রিজেন্সি হোটেলে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

‘ফুড এন্ড এনভায়রনমেন্ট সেফটি ইন কমার্শিয়াল পোল্ট্রি প্রোডাকশন’ শীর্ষক দু’দিনব্যাপী এই সেমিনারে আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ শাখা (ওয়াপসা-বিবি)।

নারায়ন চন্দ্র বলেন, বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্পে নিরাপদ ও মানসম্মত ডিম ও মুরগির মাংসের উৎপাদন শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও শুধু খাদ্যের উৎপাদন যথেষ্ঠ নয়, সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য এবং সাসটেইনেবল হেলদি ফুড সাপ্লাই নিশ্চিত করা একটি ও বড় চ্যালেঞ্জ। নিরাপদ পোল্ট্রি উৎপাদনে বাংলাদেশ দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এর সভাপতি মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) ডা. আইনুল হক, ওয়াপসা-বাংলাদেশ শাখার সভাপতি শামসুল আরেফিন খালেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেন, খাদ্য নিরপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য একে অন্যের পরিপূরক। যেকোনো মূল্যে খাদ্যকে নিরাপদ রাখতে হবে। আমাদের দেশে মুরগির মাংসের সিংহভাগ এবং ডিমের প্রায় পুরোটাই আসে পোল্ট্রি থেকে। এ শিল্পের সাথে অসংখ্য খামারি জড়িত- তাই তারা যেন টিকে থাকতে পারে সে দিকে বর্তমান সরকার ও মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয় একসাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে। জিডিপি ৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ২০৫০ সাল নাগাদ অর্থনীতির সাইজ ৩ দশমিক ০৬৪ ট্রিনিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। কাজেই সেই অর্থনীতিতে মানুষকে প্রাণিজ প্রোটিন পর্যাপ্ত পরিমানে সরবরাহ করতে হবে।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালে দেশে মাথাপিছু বার্ষিক চিকেন কনজাম্পশন ছিল ৬ দশমিক ৩ কেজি, ২০৫০ সালে আমাদের প্রয়োজন হবে নূন্যতম ৪৫ কেজি । কাজেই একদিকে যেমন ডিম ও মুরগির মাংসের মত প্রেটিন জাতীয় খাদ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে একই সাথে সাসটেইনেবল এবং সেফ পোল্ট্রি প্রেডাকশন নিশ্চিত করতে হবে।



মন্তব্য