kalerkantho


আবিদের গ্রামের মাটির বাড়িটি এখন খা খা স্মৃতিচিহ্ন

নওগাঁ প্রতিনিধি    

১৬ মার্চ, ২০১৮ ২০:২৮



আবিদের গ্রামের মাটির বাড়িটি এখন খা খা স্মৃতিচিহ্ন

সম্প্রতি নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজটির প্রধান বৈমানিক ছিলেন ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান। মঙ্গলবার সকালে কাঠমান্ডুর নরভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানের পৈত্রিক বাড়ি নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের খট্টেশ্বর রাণীনগর গ্রামের খাঁন পাড়ায়।

পারিবারেক সূত্রে জানা যায়, তার বাবা মরহুম এম এ কাশেম খাঁনও পাইলট ছিলেন। আবিদ সুলতানের বাবা প্রায় ৬৫ বছর আগে পড়াশুনা ও চাকরির সুবাদে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। ফলে আবিদের গ্রামের পৈত্রিক  বাড়িতে তাদের স্মৃতিচিহ্ন বলতে শুধুমাত্র রয়েছে ইটের প্রাচীর ঘেরা একটি পুরনো মাটির বাড়ি।

আবিদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকায়। শুধুমাত্র তাদের দূরের কিছু আত্মীয় স্বজনরা বর্তমানে তাঁর পৈত্রিক বাড়িটি সংস্কার করে বসবাস ও পৈত্রিকভাবে পাওয়া তাদের জমিজমা দেখভাল করছেন। তার অন্যান্য ভাইরা অনেক দিন পর পর তাদের গ্রামের বাড়িতে আসলেও আবিদ সুলতান মাঝে মাঝে আসতেন তাদের গ্রামের বাড়িতে। আবিদের মা সালেহা বেগমও বেঁচে নেই।

মেধাবী আবিদ সুলতানরা ছিলেন পাঁচ ভাই। আবিদ বিয়ে করেছেন নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলায়। তার একটি মাত্র ছেলে তানজিব বিন সুলতান। তানজিব ঢাকায় 'ও' লেভেলে পড়ছে। তার লাশ বনানীর সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া বিনতে তাবিব জানান, খবর পেয়ে আবিদ সুলতানের পৈত্রিক বাড়িটি পরিদর্শন করা হয়েছেন। দীর্ঘদিন গ্রামে তাদের  পৈত্রিক বাড়িতে কোনো যাওয়া-আসা নেই। তাই এখানে তাদের মাটির বাড়িটিই স্মৃতিচিহ্ন বহন করছে। 


মন্তব্য