kalerkantho


সংসদে ধর্মমন্ত্রী

ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের নির্দিষ্ট পরিমাণে ভাতা প্রদানের পরিকল্পনা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২৩:২৮



ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের নির্দিষ্ট পরিমাণে ভাতা প্রদানের পরিকল্পনা নেই

ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি জামে মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের সরকারিভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণে ভাতা প্রদানের পরিকল্পনা আপাতত নেই। আজ সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরকার দলীয় সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বতন্ত্র সদস্য মো. আবদুল মতিনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সরকারি খরচে কোনো হজযাত্রী পাঠানো হয়নি।

মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি অনুযায়ী ২০১৪ সাল থেকে সরকারি খরচে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের হজে পাঠানো হচ্ছে। এ হিসেবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১২৫ জনের জন্য সরকারের ব্যয় হয়েছে ১৮ কোটি ৩৬ লাখ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২৬৬ জনের জন্য ২৯ কোটি, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২৮৮ জনের জন্য সাড়ে ২৯ কোটি এবং ২০১৮ অর্থবছরে ৩২০ জনের জন্য অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেছে সাড়ে ৩৩ কোটিসহ মোট ২৪৫ কোটি টাকা।

সরকারি খরচে কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হজে পাঠানো হয় না উল্লেখ করে তিনি জানান, হজযাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা দেখাশুনাসহ হজ ব্যবস্থাপনার জরুরি দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন দলে (হজ প্রতিনিধি দল, হজ প্রশাসনিক দল, হজ চিকিৎসক, হজ কারিগরি দল এবং হজ চিকিৎসা কারিগরি দল) অন্তর্ভুক্ত করে ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তর, বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ সৌদি আরবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন; তাদের পেছনে ওই অর্থ ব্যয় হয়।

আওয়ামী লীগের শেখ মো. নুরুল হকের লিখিত প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী জানান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রতি অর্থ বছরে নির্ধারিত আবেদন ফরমের ভিত্তিতে বাজেট বরাদ্দ থাকা সাপেক্ষে মসজিদের অনুদান মঞ্জুর করা হয়। এর অংশ হিসেবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৫ হাজার ৩৫৬টির অনুকূলে ১১ কোটি ২১ লাখ ৬০ হাজার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫ হাজার ৩৯৯ মসজিদের জন্য ১১ কোটি ৪৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়। তবে, দেশের সকল মসজিদে সরকারি অনুদান সমভাবে পৌঁছানোর কোনো পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নেই।


মন্তব্য