• ই-পেপার

সংসদে প্রশ্নোত্তর

তিন বাহিনীতে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম

ইউএন উইমেনের সঙ্গে বৈঠকে ড. তিতুমীর

বৈশ্বিক সংকটে নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
বৈশ্বিক সংকটে নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান
সংগৃহীত ছবি

বৈশ্বিক সংঘাত, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক অস্থিরতা, পণ্য সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন এবং জ্বালানি সংকটের কারণে সৃষ্ট বহুমাত্রিক চাপের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নে জাতিসংঘ নারী সংস্থা (ইউএন উইমেন)-এর আরো জোরালো সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। 

বুধবার (১৫ জুলাই) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব ও ইউএন উইমেনের উপনির্বাহী পরিচালক নিয়ারাডজাই গুম্বোনজভান্ডার সঙ্গে বৈঠকে ড. তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় বর্তমানে ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে, যা দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তার ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করেছে। তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে এবং প্রত্যাবাসনের পর বিশেষ করে নারী ও কন্যাশিশুরা যেন নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারে, জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পায় এবং তাদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত হয় সে লক্ষ্যে ইউএন উইমেনের আরও সক্রিয়, কার্যকর ও জোরালো ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

উপদেষ্টা বলেন, চলমান বৈশ্বিক সংকটের বহুমাত্রিক প্রভাব বাংলাদেশের ওপর উল্লেখযোগ্য আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে, যার ফলে সরকারের ফিস্কাল স্পেস ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কঠোর শর্ত ও নীতিমালার কারণে অনুদান ও সহজ শর্তের ঋণপ্রাপ্তি সীমিত হয়ে পড়ছে এবং অনেক স্বল্পোন্নত দেশ ঋণচাপের মুখোমুখি হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে তিনি নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষা, ক্ষমতায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরো জোরদারে ইউএন উইমেনের কার্যকর ও সম্প্রসারিত সহযোগিতার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের নারী-কেন্দ্রিক উন্নয়ন উদ্যোগগুলোর কথা তুলে ধরে ড. তিতুমীর বলেন, পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড চালু, মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা, প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সর্বজনীন জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে আরো ত্বরান্বিত করবে।

উপনির্বাহী পরিচালক নিয়ারাডজাই গুম্বোনজভান্ডা নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগকে একটি উদ্ভাবনী ও নারী-কেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি হিসেবে অভিহিত করেন। কক্সবাজার সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলা, লিঙ্গসমতা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক সুরক্ষা এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউএন উইমেনের সহযোগিতা আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সৌদি আরবের পরিবহন ও রসদ পরিষেবা বিষয়ক উপমন্ত্রী ড. রুমাইহ মোহাম্মদ আল-রুমাইহের নেতৃত্বে রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনালের সিইওসহ একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক, বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরো জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তাঁর সরকারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীকে জানায়, রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে ১৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে একটি বে (Bay) টার্মিনাল নির্মাণের পাশাপাশি বাংলাদেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় তাদের বিনিয়োগ ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে আগ্রহী।

এ ছাড়া রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনালসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের অন্যান্য খাতেও বিনিয়োগে আগ্রহী বলে প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীকে জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতি ও উদ্যোগ সম্পর্কে সৌদি প্রতিনিধি দলকে অবহিত করেন।

প্রতিনিধি দল জানায়, তারা বাংলাদেশে বন্দর, রেলওয়েসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে যৌথ বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলেও তারা উল্লেখ করে।

বাংলাদেশ সফর এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশের জন্য সৌদি প্রতিনিধি দলকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জবাবে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, তারা সৌদি আরবে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

সাক্ষাৎকালে সড়ক পরিবহন, সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রাবউল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সৌদি প্রতিনিধি দলে আরো ছিলেন সৌদি আরবের বিনিয়োগ উন্নয়ন বিষয়ক সহকারী উপমন্ত্রী প্রকৌশলী আম্মার আল-তাফ, রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সিইও আমের রেদা (Amer Reda), রেড সি গেটওয়ে টার্মিনালের সিইও লার্স ভ্যাং (Lars Vang), বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ বিন আবিয়া এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন
সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শেষ হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশন সমাপনী-সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ঘোষণা পাঠের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পাস হয়। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর গঠিত বর্তমান বিএনপি সরকারের এটি প্রথম বাজেট।

গত ৭ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন।

গত ৭ জুন শুরু হওয়া অধিবেশন ২৬ কার্যদিবস চলার পর আজ ১৫ জুলাই শেষ হয়। বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা ১৪ কার্যদিবসে মোট ৪৮ ঘণ্টা ৫১ মিনিট স্থায়ী হয়। এতে ৩১৬ জন সংসদ-সদস্য অংশ নেন। এ ছাড়া ১০টি সরকারি বিল পাস হয়েছে।

কার্যপ্রণালি-বিধির ৭১ বিধি অনুযায়ী ৭১৫টি নোটিশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২৪টি গৃহীত হয় এবং ২২টি নোটিশের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ৭১(ক) বিধি অনুযায়ী ১২৫টি দুই মিনিটের নোটিশ আলোচিত হয়েছে। ১৩১ বিধি অনুযায়ী চারটি সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের ওপর আলোচনা ও নিষ্পত্তি হয়েছে।

এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য ২৭৮টি প্রশ্ন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৩৫টি প্রশ্নের উত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের জন্য ৫ হাজার ৩১টি প্রশ্ন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৪৭৪টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। এ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিসহ মোট ১১টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া কার্য উপদেষ্টা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত?

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত?
সংগৃহীত ছবি

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে স্কেলে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ক্ষেত্রে নতুন নীতি অনুসরণের সুপারিশ করা হয়েছে। এতে উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন ও মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে বিদ্যমান পদ্ধতিতে সব গ্রেডে সমান হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার নিয়ম বাতিলের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

নবম পে স্কেলের খসড়া অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সম্ভাব্য বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের ৫ শতাংশ। পঞ্চম গ্রেডে ইনক্রিমেন্ট ধরা হয়েছে ৪ শতাংশ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ গ্রেডে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এ ছাড়া দ্বিতীয় গ্রেডে ইনক্রিমেন্টের হার প্রস্তাব করা হয়েছে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। প্রথম গ্রেডের ইনক্রিমেন্ট নির্ধারিত থাকছে।

বর্তমান পে স্কেলে সব গ্রেডে গড়ে ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট কার্যকর রয়েছে। তবে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী চিকিৎসা ভাতা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৩ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে সন্তানদের জন্য মাসিক শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও এ ক্ষেত্রে কমিশনের সুপারিশ ছিল ২ হাজার টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম থেকে দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ ভাগ এবং ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন সর্বোচ্চ ১৪০ ভাগ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। কোনো কারণে আজ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলে পরবর্তী বৈঠকে সুপারিশ চূড়ান্ত করে তা সরাসরি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য পাঠানো হবে।

অর্থ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই নতুন পে স্কেলের মূল বেতনের পুরো অংশ সরকারি কোষাগার থেকে পরিশোধ করা হবে। আর সব ধরনের ভাতা আগামী অর্থবছরে দুই ধাপে পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বর্তমানে চালু থাকা ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকার অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ ভাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ, মূল বেতন এক লাফে দ্বিগুণ বা তারও বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বিশেষ ভাতা বহাল রাখার যৌক্তিকতা থাকবে না।

তিন বাহিনীতে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম | কালের কণ্ঠ