kalerkantho


প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানদের বিল পর্যালোচনায় সাব-কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ০২:২৫



প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানদের বিল পর্যালোচনায় সাব-কমিটি

প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর প্রধানদের বিল (নিয়োগ, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা) পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যালোচনা করতে একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে। মুহাম্মদ ফারুক খানকে আহ্বায়ক করে গঠিত তিন সদস্যের সাব-কমিটিতে সদস্য হিসাবে রয়েছেন মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী ও বেগম হোসনে আরা বেগম।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সাব-কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে এক সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে। কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান, মো. মাহবুবুর রহমান, ডা. দীপু মনি, মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী ও বেগম হোসনে আরা বেগম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কমিটি সূত্র জানায়, গত ৯ জানুয়ারি বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। পরে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলে অবসরে যাওয়া প্রতিরক্ষা বাহিনী (সেনা, নৌ ও বিমান) প্রধান সাংবিধানিক পদে নিয়োগ পেতে পারেন এমন বিধান রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে-'আপাতত বলবত্ অন্য কোনো আইন দ্বারা বাধা আরোপিত না হইয়া থাকিলে অবসরপ্রাপ্ত কোন বাহিনী প্রধান সাংবিধানিক কোন পদে নিয়োগ লাভের জন্য অযোগ্য বলে গণ্য হবেন না। উপ-ধারা (৯৩) এর বিধান সাপেক্ষে বাহিনী প্রধানের নিয়োগের মেয়াদ হইবে একসঙ্গে বা বর্ধিতকরণসহ নিয়োগ প্রদানের তারিখ হইতে অনূর্ধ্ব চার বছর। প্রতি মাসে বাহিনী প্রধানের বেতন হবে ৮৬ হাজার টাকা।'
বাহিনীর প্রধানদের পুনর্নিয়োগ প্রসঙ্গে বিলে বলা হয়েছে, বাহিনীর প্রধান অবসরপ্রাপ্ত হওয়া বা স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করার পর প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোনো সামরিক বা বেসামরিক পদে পুনর্নিয়োগ লাভে অযোগ্য হবেন। এ বিষয়ে শর্ত উল্লেখ করে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি জনস্বার্থে আবশ্যক মনে করিলে অবসরপ্রাপ্ত কোনো বাহিনী প্রধানকে চুক্তির ভিত্তিতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোনো বেসামরিক পদে নিয়োগদান করতে পারবেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৬২ অনুচ্ছেদের বিধানমতে, সংসদ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর প্রধানদের নিয়োগদান ও বেতন-ভাতাদি নির্ধারণ করার বিধান থাকলেও দীর্ঘদিন অতিক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর প্রধানদের নিয়োগ ও বেতন-ভাতাদি সম্পর্কিত কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি। ওই আইন প্রণয়নে বিলটি আনা হয়েছে।


মন্তব্য