kalerkantho


স্বাধীনতাবিরোধীরা মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ জানুয়ারি, ২০১৮ ২২:০০



স্বাধীনতাবিরোধীরা মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী

ফাইল ছবি

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধীরা মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, রেলের বগিতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে, ধমের্র নামে মানুষ হত্যা করেছে। তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আজ সন্ধ্যায় আর্মি স্টেডিয়ামে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘পিতার স্বপ্নে কন্যার আহ্বানে কোটি মানুষের মিছিল চলেছে মুক্তির অভিযানে’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সরকারের চার বছর পূর্তির সাফল্য উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। খবর : বাসস।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ অভূতপূবর্ভাবে সাফল্য অজর্ন করে চলেছে উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান নূর বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে। তবে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছিল তখনই তাঁকে হত্যা করা হয়। তিনি বলেন, এরপর বর্তমান ধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তখন আবার স্বাধীনতাবিরোধীরা উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করছে। তবে দেশের মানুষ তাদের ষড়যন্ত্র মেনে নেবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতাবিরোধীদের ষড়যন্ত্র কখনই সফল হতে দেবেন না উল্লেখ করে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতিহত করবেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যারা দেশের উন্নয়ন চায় না তারা সরকারের বিরোধীতা করবে এটাই স্বাভাবিক। তবে দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়ন করে যাবে। তিনি বলেন, আজকের এ অনুষ্ঠান অবশ্যই দেশের উন্নয়ন যাত্রা আরও বাড়িয়ে দিবে। তবে যারা সরকারের উন্নয়নে খুশি নয় তারা এর সমালোচনা করবে।

বিকেল ৪টা থেকে শুরু হওয়া মনোজ্ঞ এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পর্দা নামবে রাত সাড়ে ১১টায়। দর্শনার্থীদের প্রবেশের জন্য আর্মি স্টেডিয়ামের গেট আজ দুপুর ২টায় খুলে দেয়া হয়। আবার সন্ধ্যা ৭টায় সকল প্রবেশ গেট বন্ধ করে দেয়া হয়।

স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে বিকেলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরপরই শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পর্ব। এরপর একে একে মঞ্চে উঠে আসে ব্যান্ডদল চিরকুট, দলছুট, সোলস, জেমস ও নগরবাউল এবং কোকিল কণ্ঠী গায়িকা ও সাংসদ মমতাজ।


মন্তব্য