kalerkantho


আজ থেকে বিশেষ কর্মসূচি

থ্যালাসেমিয়া নিয়ে দেশে প্রতিবছর জন্ম নেয় সাত হাজার শিশু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ জানুয়ারি, ২০১৮ ০২:১৮



থ্যালাসেমিয়া নিয়ে দেশে প্রতিবছর জন্ম নেয় সাত হাজার শিশু

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ফাইল ছবি

দেশে প্রায় ৬০ হাজারের বেশি শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগে ভুগছে। এ ছাড়া প্রতিবছর গড়ে সাত হাজারের বেশি শিশু এই রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। অন্যদিকে দেশে থ্যালাসেমিয়ার জিন বহনকারীর সংখ্যা দেড় কোটির বেশি। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এ বছর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে রোগটি নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে শুরু হচ্ছে নতুন কর্মসূচি। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব তথ্য জানান। আজ বুধবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জাতীয় জাদুঘরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রোগ। এই রোগে রক্তে অক্সিজেন পরিবহনকারী হিমোগ্লোবিন কণার উৎপাদনে ত্রুটি হয়। থ্যালাসেমিয়া ধারণকারী মানুষ সাধারণত রক্তে অক্সিজেন স্বল্পতা বা অ্যানিমিয়াতে ভোগে। মা কিংবা বাবা অথবা উভয়ের থ্যালাসেমিয়ার জিন থাকলে বংশানুক্রমে এটি সন্তানের মধ্যে ছড়ায়। তবে এ রোগ ছোঁয়াচে নয়। সঠিক সময় চিকিত্সা না করলে রোগটি শিশুর মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়। প্রয়োজনে ওষুধ ও রক্ত গ্রহণ করতে হয়। তাই এই রোগের চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল। বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীর পক্ষেই এটি করা সম্ভব নয়। তাই থ্যালাসেমিয়া রোগটির প্রতিকার করা সম্ভব একমাত্র জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে। তিনি বলেন, এসব কারণে আজ থেকে দেশজুড়ে একযোগে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। যার মাধ্যমে ২০২৮ সাল নাগাদ বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়ামুক্ত হবে।



মন্তব্য