kalerkantho


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডিএমপি কমিশনার

পদ না থাকায় অনেক ‘যোগ্য কর্মকর্তা’ এক পদে আটকে আছেন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৬:৪৯



পদ না থাকায় অনেক ‘যোগ্য কর্মকর্তা’ এক পদে আটকে আছেন

ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, “পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোটি ভারসাম্যহীন ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, নিবিড় তদারকিসহ সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন ব্যাহত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে জননিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে।” পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে সরকার প্রধান শেখ হাসিনাকে তিনি এ কথা বলেন। 

আছাদুজ্জামান মিয়া জানান, পদ না থাকায় ২৫ বছরের বেশি সময়ে ধরে অনেক ‘যোগ্য কর্মকর্তা’ এক পদে আটকে আছেন।

তিনি বলেন, “সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু শূন্য পদ না থাকার কারণে ২৭ থেকে ৩০ বছর দক্ষতার সাথে পেশাদারিত্ব দায়িত্ব পালন করার পরও শতাধিক পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেড থ্রি অর্থাৎ ডিআইজি ও গ্রেড ফোর অর্থাৎ অ্যাডিশনাল পদে আটকে আছে। এর মধ্যে অনেকে আছেন; আমিসহ যারা একেবারে অবসরের দ্বারপ্রান্তে, শুধু পদ না থাকার জন্য আমরা অ্যাডিশনাল আইজি পদ পাচ্ছি না।”

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, “সরকারের বিভিন্ন ক্যাডার সার্ভিসের মধ্যে এক দশমিক ১৭ থেকে চার দশমিক ৪৫ শতাংশ গ্রেড ওয়ানসহ পাঁচ শতাংশ থেকে দশ শতাংশ গ্রেড টু পদ রয়েছে। কিন্তু, বাংলাদেশ পুলিশ এদিক থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। পুলিশ বাহিনীতে ক্যাডার পদ রয়েছে ২ হাজার ২৮৯টি। যার মধ্যে, মাত্র দুটি গ্রেড ওয়ান এবং ১৩টি গ্রেড টু পদ রয়েছে।”

২০১৭ সালের পুলিশ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ সত্ত্বেও গ্রেড ওয়ান পদ সৃজন না হওয়ার অনুযোগও জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, “আপনার নির্দেশিত পাঁচটি গ্রেড ওয়ান পদের বিপরীতে দুটি পদ সৃষ্টি হলেও বাকি তিনটি পদ এখনও সৃষ্টি হয়নি। গত পুলিশ সপ্তাহে আপনি এখানে বসেই সুষ্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছিলেন, বাকি তিনটি পদ সৃজনের জন্য। এখনও তা হয়নি।”

ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, “আপনার সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত ও পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বলেই ২০১৩ সালের হেফাজতি তাণ্ডব, ১৪ ও ১৫ সালের নজিরবিহীন বোমা সন্ত্রাস এবং ১৬ ও ১৭ সালে জীবনবাজি রেখে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে কঠোরভাবে দমন করতে সক্ষম হয়েছি।”


মন্তব্য