kalerkantho


বন্ধুত্বের ২০ বছর ...

আবুল বাশার মিরাজ   

২ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৮:৫৬



বন্ধুত্বের ২০ বছর ...

১৯৯৭ সালের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তারা। বহু বছর পর তারা আবারও মিলিত হবেন বাঁধভাঙ্গা আবেগ আর উচ্ছাসে। গল্প আড্ডা আর স্মৃতি কাতরতায় কিছুক্ষণের মধ্যেই হারিয়ে যাবেন প্রিয় ক্যাম্পাস বাকৃবিতে। কারণ এখানেই সূচিত হয়েছিল তাদের বন্ধুত্বের যাত্রা, দীর্ঘ ২০ বছর আগে। প্রকৃতি কন্যাখ্যাত বাকৃবির সবুজ শ্যামলিমায় দীর্ঘ ৭ বছর ধরে লালিত পালিত আর বর্ধিত হয় তাঁদের বন্ধুতা। অতপর বিচ্ছেদ। কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে ছড়িয়ে পড়েন দেশজুড়ে। বাড়তে থাকে বিরহ যন্ত্রণা ! এদিকে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলে মিলনের আকাঙ্খা। অবশেষে দীর্ঘ ২০বছর পর ওরা আবারও মিলবেন।

আগামী ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি তারা ফিরবেন চিরচেনা সবুজ ক্যাম্পাসে। পূর্ণমিলনী উপলক্ষে এরই মধ্যে প্রায় সকল প্রস্তুতি শেষ করে ফেলেছেন এ শেসনের শিক্ষার্থীরা। বন্ধু পুনর্মিলনী ২০১৮ এর কার্যক্রম  সম্পর্কে পূর্নমিলনীর আহবায়ক এবং কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের অধ্যাপক ড. মো. আশিক রব্বানী বলেন, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ক্যাম্পাসে পদার্পন, আলোক সজ্জা ও ডেকোরেশন, খাবার কুপন, টি-সার্ট, ক্যাপ, স্যুভেনির ইত্যাদি বিতরণ করা হবে। ২৩ ফেব্রুয়ারি  থাকছে- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গালা ডিনার, ডিজে শো, ফানুস উড়ানো ও ফায়ার ওয়ার্কস। ২৪ ফেব্রুয়ারি  বিকালে অনুষ্ঠিত হবে জমকালো সাংস্কুতিক অনুষ্ঠান পূর্নমিলনী উপলক্ষে তারা একটি থিম সং ও রিলিজ করেছেন। এখানে কণ্ঠ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদচিহ্ন নামের সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাবেক শিক্ষার্থীরা। 

দীর্ঘদিন পর আবারও এক ক্যাম্পাসে মিলিত হবেন, এ অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে আবেগ আল্পুত হয়ে ড. মো. আশিক রব্বানী বলেন, চলার পথে ছোট্র এই পৃথিবীতে আবারো দেখা হয়ে যেতে পারে। যদি কোনভাবেই চিনতে পারি একে অপরকে। ফিরে যাবো যৌবনে। মেতে উঠবো হাসি খেলায় আর ভাসবো সুখের ভেলায়। মানুষের জীবনে এমন কিছু স্মৃতি থাকে যা কোনদিনও ভুলার নয়। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনই এমন একটি সুন্দও সময় ছিল আমাদের জীবনে। সময়ের সাথে জীবনের প্রয়োজনে একাকিত্বকে বরণ করতে হয়, তবে বন্ধুদের সাথে কাটানো মূহুর্তগুলো কোনদিনও ভুলার নয়। আমরা আবারও মিলিত হব। সিক্ত হব পরস্পরের ভালবাসায়। বিমূঢ় হবে স্মৃতি কাতরতায়, পূর্ণ হবে-কানায় কানায়।


মন্তব্য