• ই-পেপার

আজ ৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্য হলেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন

অনলাইন ডেস্ক
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্য হলেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। ছবি: সংগৃহীত

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা, ২০২৫-এর আলোকে দেশের সাংবাদিকদের সরকারি প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদান, নবায়ন এবং এই সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে ১১ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের ‘প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি’ পুনর্গঠন করা হয়েছে। এই বিশেষ কমিটিতে অন্যতম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন দৈনিক দিনকালের সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। নতুন এই শক্তিশালী কমিটি গঠনের সঙ্গে সঙ্গে পূর্বের গঠিত সকল কমিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রধান তথ্য অফিসারকে সভাপতি এবং তথ্য অধিদপ্তরের সিনিয়র উপ-প্রধান তথ্য অফিসারকে (প্রটোকল) সদস্য-সচিব করে গঠিত এই কমিটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা ও দেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের যুক্ত করা হয়েছে। 

কমিটিতে আরো স্থান পেয়েছেন, ডিইউজে-বিএফইউজে-এর মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, জেডনিউজডটনিউজের নির্বাহী সম্পাদক ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম এবং একাত্তর টেলিভিশনের সিইও ও হেড অব নিউজ মো. শফিকুল ইসলাম (শফিক আহমেদ) ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট উম্মে মারুফা।

পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সদস্য হিসেবে রয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রেস-২) এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখার উপসচিব।

নবগঠিত এই কমিটির ওপর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। কমিটি মূলত সাংবাদিকদের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু করার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সাথে কার্ড সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের আপত্তি ও অভিযোগের শুনানি এবং তা দ্রুত নিষ্পত্তির আইনি দায়িত্বও পালন করবে। এছাড়া পরিবর্তিত সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংযোজন, সংশোধন বা পরিমার্জনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়ন করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে এই কমিটিকে।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের জানাজা সোমবার

অনলাইন ডেস্ক
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের জানাজা সোমবার

প্রখ্যাত লেখক ও গবেষক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের জানাজা আগামীকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হবে।

৬ জুলাই বাদ ফজর মিরপুরের পল্লবীর মসজিদুল আমান মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার লাশ যথাক্রমে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টায় বাংলা একাডেমি, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টায় শহীদ মিনার এবং দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত অপরাজেয় বাংলায় রাখা হবে।

এর আগে, আজ রবিবার দুপুরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। তার পুত্রবধূ রাজিয়া রহমান মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, মিরপুরের একটি রেস্তোরাঁয় দুপুরে খেতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মিরপুরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে দুপুর আড়াইটা থেকে ৩টার মধ্যে তিনি সেখানে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আবুল কাসেম ফজলুল হক নিরপেক্ষ রাজনীতি চিন্তা ও তত্ত্বের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) ও ১৯৬৬ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

এরপর দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। পরবর্তীতে বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

‘সুন্দরম’ ও ‘লোকায়ত’ নামে দুটি সাময়িকপত্রের সম্পাদনা ছাড়াও তার রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বই। ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘সাহিত্য চিন্তা’, ‘রাজনীতি দর্শন’, ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’র মতো তার লেখা অন্তত ২০টির বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে ‘ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি’, ‘স্বদেশচিন্তা’র মতো একাধিক গ্রন্থও। অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।

পেনশন জট কমাতে অর্থ বিভাগের নতুন উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
পেনশন জট কমাতে অর্থ বিভাগের নতুন উদ্যোগ
ছবি: কালের কণ্ঠ

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন সংক্রান্ত কার্যক্রম আরো দ্রুত, সমন্বিত ও হয়রানিমুক্ত করতে অর্থ বিভাগে একজন কল্যাণ কর্মকর্তা (ওয়েলফেয়ার অফিসার) মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। পেনশন-সংক্রান্ত সব কার্যক্রমে সমন্বয় ও তদারকির দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রশাসন ও সমন্বয় অনুবিভাগের প্রশাসন-৩ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। গত ২ জুলাই উপসচিব মো. জহিরুল হক এ আদেশে সই করেন।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারীদের পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০’-এর ২.০১ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অবসরগমনকারী সরকারি কর্মচারীদের পেনশন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহায়তার জন্য প্রতিটি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদফতর, পরিদফতর ও দফতরে পেনশন কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একজন কর্মকর্তাকে কল্যাণ কর্মকর্তা হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার বিধান রয়েছে। সেই বিধান অনুযায়ী অর্থ বিভাগের প্রশাসন-৪ শাখায় দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাকে কল্যাণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পেনশন সহজীকরণ আদেশ অনুযায়ী, কল্যাণ কর্মকর্তা পেনশন মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ এবং প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসের মধ্যে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করবেন। এছাড়া ২০১৬ সালে অর্থ বিভাগের জারি করা পরিপত্রে নির্ধারিত দায়িত্ব ও কর্তব্যও তাকে পালন করতে হবে।

পরিপত্র অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবসরের অন্তত এক বছর আগে তাকে এবং সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসকে অবহিত করা, চাকরির তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ ও যাচাই, অডিট আপত্তি বা বিভাগীয় মামলা থাকলে তা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া কল্যাণ কর্মকর্তার দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে।

এ ছাড়া পেনশন, আনুতোষিক, ছুটি নগদায়ন এবং সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের (জিপিএফ) চূড়ান্ত অর্থ উত্তোলনের আবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়াকরণ, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৃত কর্মচারীর পরিবারের পেনশন-সংক্রান্ত কার্যক্রমে সহায়তা করা এবং পেনশন নিষ্পত্তির অগ্রগতি নিয়মিত তদারকি করবেন তিনি।

একইসঙ্গে পেনশন, আনুতোষিক ও ছুটি নগদায়নের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ রাখা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পেনশন পেমেন্ট অর্ডার (পিপিও) জারি ও সংশ্লিষ্ট অর্থপ্রাপ্তি নিশ্চিত করাও কল্যাণ কর্মকর্তার অন্যতম দায়িত্ব।

অর্থ বিভাগের জারি করা অফিস আদেশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সচিব, অনুবিভাগ প্রধান, যুগ্মসচিব, উপসচিব, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, আইসিটি অধিশাখাসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

মায়ানমার সীমান্তে নজরদা‌রি বা‌ড়ি‌য়ে‌ছে সরকার : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
মায়ানমার সীমান্তে নজরদা‌রি বা‌ড়ি‌য়ে‌ছে সরকার : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মায়ানমার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ক‌য়েকজন সাংবাদিকের স‌ঙ্গে আলাপকা‌লে তি‌নি এ তথ্য জানান।

আরাকান আর্মি প্রধান আহত হয়ে বাংলাদেশে চিকিৎসা নি‌চ্ছেন এমন খবর বে‌রি‌য়ে‌ছে—এ বিষ‌য়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ের কা‌ছে কো‌নো তথ্য আছে কিনা, তা জান‌তে চান এক সাংবা‌দিক।

জবা‌বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব‌লেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। 

মায়ানমার সীমান্তে দেশটির সামরিক বাহিনী আরাকান আর্মিদের বিরুদ্ধে আক্রমণ জোরদার করেছে। সীমান্তের এপারে থাকা বাংলাদেশের নাগরিকরা উদ্বেগের মধ্যে আছে। এমন প‌রি‌স্থি‌তি‌তে আরো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

এ বিষ‌য়ে সরকারের কো‌নো পদ‌ক্ষেপ আছে কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে ড. খলিলুর রহমান ব‌লেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আমরা নজর রাখছি। আমরা সীমা‌ন্তে নজরদা‌রি বা‌ড়ি‌য়ে‌ছি।

আজ ৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী | কালের কণ্ঠ