kalerkantho


নদীর সীমানা চিহ্নিতকরণ জরিপ অব্যাহত থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ নভেম্বর, ২০১৭ ০৩:৪৫



নদীর সীমানা চিহ্নিতকরণ জরিপ অব্যাহত থাকবে

ঢাকার চারপাশের নদীর সীমানা চিহ্নিত করার লক্ষ্যে জরিপ অব্যাহত থাকবে। জরিপ কাজ শেষে আদি বুড়িগঙ্গার অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদকার্যক্রম শুরু হবে।

গতকাল বুধবার নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীসহ ঢাকার চারপাশে নদীগুলোর দূষণরোধ এবং নাব্যতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত জাতীয় ‘টাস্কফোর্স’ এর ৩৬তম সভায় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়। নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহাজান খান এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় জানানো হয়, জরিপের পাশাপাশি সীমানা পিলার স্থাপন ও আগে স্থাপিত পিলারসমূহের মধ্যে আপত্তি উত্থাপিত পিলারগুলো যাচাই করে পুন:স্থাপনের কাজ করা হবে। সেই সঙ্গে নদীর তীরভূমির দখলমুক্ত জায়গা সুরক্ষার জন্য শক্তিশালী সীমানা পিলার স্থাপন করা হবে। এছাড়া পিলার উচ্ছেদকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় ঢাকা ওয়াসার ১৩ টি খাল উদ্ধারে ঢাকা ওয়াসাকে নিদের্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে যেসব খাল ইতোমধ্যে উদ্ধার, খনন এবং খালের উভয় পাড়ে পাকা করা হয়েছে সেগুলো পুন:দখল ও ভরাট হয়ে না যায় সেজন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নিতে বলা হয়। এক্ষেত্রে টাস্কফোর্স সহযোগিতা করবে বলেও জানানো হয়।

টাস্কফোর্সের এ সভায় ভুমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো: আবদুস সামাদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নদী তীরবর্তী স্থানে স্থাপিত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য নদীর পানি দূষণ করছে; যেসব প্রতিষ্ঠানে  এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (ইটিপি) সবসময় চালু রাখার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া সাভারের ট্যানারিতে  সেন্ট্রাল এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (সিইটিপি) ত্রুটিমুক্ত করার জন্য শিল্প মন্ত্রনালয়ের দৃস্টি আকর্ষন করা হয়েছে।

 

 


মন্তব্য