kalerkantho


ঢাকা রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করেছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ অক্টোবর, ২০১৭ ২০:৫৩



ঢাকা রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করেছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বলেছেন, বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতায় রোহিঙ্গা ইস্যু এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।  

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি আন্তর্জাতিক জনমত সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি আজ সকালে ঢাকায় এক প্রেস ব্রিফিংএ একথা বলেন।  

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী বলেন, অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে বর্তমানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের অনেক ঘনিষ্ট। এ বিষযটিকে ঢাকার কূটনৈতিক সাফল্য হিসাবেই মনে করা হচ্ছে।  

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাশিয়া ও চীনের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন দেখতে চায় এ দুটি দেশ।  

রাশিয়া ও চীন উভয়েই মিয়ানমারের পক্ষে, সে ক্ষেত্রে এ দুটি দেশ কখন কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে সমর্থন জানালো এবং কি ভাবে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে দেশে ফিরে যেতে দেখতে চায়, এমন এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিউইয়র্কে গত ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এরিয়া ফর্মূলা বৈঠকের উল্লেখ করে বলেন, রাশিয়া চীন ও জাপানসহ সকল রাষ্ট্র রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
 
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, বৈঠকে অংশগ্রহণকারি সকল রাষ্ট্র এই সংকটের সমাধানে একটি রোড ম্যাপ হিসাবে বিবেচনা করে আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিও আহবান জানিয়েছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা চীন ও জাপানের অবস্থানের পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। দুটি দেশের প্রতিনিধিরা বলেছেন, রোহিঙ্গাদেরকে দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে এবং মিয়ানমারকেই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।  

রোহিঙ্গা ইস্যুর অগ্রগতি সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে সদস্য দেশগুলোর বিরোধিতা করার কারণে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে কোন বৈঠক হতে পারেনি।

কিন্তু এখন এই ইস্যুতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, এটি একটি বড় অগ্রগতি।  

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০ থেকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে মিয়ানমার সফরে যাবেন, সে সময়ে দু’দেশের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবে। এর পর মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য আমিও সে দেশে যাব।  

পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক এবং মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তাগন প্রেস ব্রিফিংএ উপস্থিত ছিলেন।  


মন্তব্য