kalerkantho


প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা: দুই মামলার রায় ২৯ অক্টোবর

আদালত প্রতিবেদক    

১৬ অক্টোবর, ২০১৭ ২০:১১



প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা: দুই মামলার রায় ২৯ অক্টোবর

২৮ বছর আগে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পৃথক দুই মামলার রায় আগামী ২৯ অক্টোবর দেওয়া হবে বলে দিন ধার্য করা হয়েছে।

পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের অস্থায়ী এজলাসে আজ সোমবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় রায় ঘোষণার জন্য ওই দিন ধার্য করেন।

গতকাল বিস্ফোরক আইনের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এদিন রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন ঢাকা মহানগর পিপি আবদুল্লাহ আবু। শুনানিতে তাকে সহায়তা করেন সাইফুল ইসলাম হেলাল, মাহফুজুর রহমান ও বিপুল চন্দ্র দেবনাথ।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি মহানগর পিপি আবদুল্লাহ আবু জানান, আগের দিন রবিবার একই আদালত হত্যাচেষ্টার মামলার রায় ঘোষণার জন্য একই দিন ধার্য করেছেন।

২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলা দুটির বিচারকাজ শুরু হয়। মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি সৈয়দ ফারুক রশীদ ও বজলুল হুদার বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় তাদের চার্জ গঠনের সময় অব্যাহতি দেওয়া হয়।

অন্য আসামিদের মধ্যে গোলাম সারোয়ার, ফ্রিডম সোহেল, জর্জ, মো. শাজাহান বালু, নাজমুল মাকসুদ মুরাদ কারাগারে রয়েছেন। জামিনে রয়েছেন হুমায়ুন কবির (১), মিজানুর রহমান, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল ও গাজী ইমাম হোসেন। এ ছাড়া মামলার চার আসামি লে. কর্নেল আবদুর রশীদ, মো. হুমায়ুন কবীর (২), জাফর আহম্মদ, রেজাউল ইসলাম খান পলাতক।

২০১৪ সালেই মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের শেষ পর্যায়ে আসে। তবে পলাতক থাকা আসামি নাজমুল মাকসুদ মুরাদকে ইন্টারপোলের সহায়তায় ২০১৪ সালে ২০ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার পর ফের ওই আসামিরপক্ষে জেরার জন্য পর্যায়ক্রমে সাক্ষীদের  জোরায় রি-কল করা হয়।

১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ১৬ জনকে আসামি করে আদালতে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পৃথক দুটি চার্জশিট দাখিল করা হয়।

চার্জশিটে বলা হয়, মামলায় ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিতে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন 'কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ' বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায়।

১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি তখন ওই বাসাতেই থাকতেন এবং ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই ছিলেন। ওই সময় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম ওই ঘটনায় ধানমণ্ডি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।  


মন্তব্য