kalerkantho


কারিগরি শিক্ষার প্রসারে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ অক্টোবর, ২০১৭ ১৯:২১



কারিগরি শিক্ষার প্রসারে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার ও এর গুণগত মান উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।  

কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নের লক্ষ্যে সুচিন্তিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এজন্য সকল অংশীজনের পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ এবং এ প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

 

নুরুল ইসলাম নাহিদ আজ সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) উন্নয়ন বিষয়ক এক সভায় সভাপতিত্বকালে এ কথা বলেন।

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, বাংলাদেশে টিভিইটি শিক্ষায় ভর্তির হার ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর প্রসার ও মান উন্নয়নে আরো কাজ করতে হবে। এজন্য শিল্প মালিকসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে দেশকে এগিয়ে নিতে পারে। জগতে দক্ষ কর্মীর বিপুল চাহিদা রয়েছে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমেই এ দক্ষ কর্মী তৈরি করা সম্ভব।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর বক্তব্য রাখেন। টিভিইটি উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা পেশ করেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস।

 

সভায় বাংলাদেশে টিভিইটি উন্নয়নে ৫টি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। এগুলো হচ্ছে: ১. পলিসি ও প্রজেক্ট ফর্মুলেশন টাস্কফোর্স, ২. ইন্ডাস্ট্রি ও ইনস্টিটিউট লিংকেজ টাস্কফোর্স, ৩. টিভিইটি এনরোলমেন্ট টাস্কফোর্স, ৪. কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট টাস্কফোর্স এবং ৫. জব মার্কেট এসেসমেন্ট এবং এপ্লয়মেন্ট টাস্কফোর্স।  

এ টাস্কফোর্সগুলো টিভিইটি-এর উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীজন এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের জন্য নিজ নিজ ক্ষেত্রে সুপারিশমালা প্রণয়ন করবে।  

সভায় আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সুপারিশমালা জমা দেয়ার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট অব্ বাংলাদেশ-এর সভাপতি এ এম এন হামিদ, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী, বিভিন্ন এনজিও, ডিসিসিআই, এমসিসিআই, বায়রা, বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।


মন্তব্য