kalerkantho


সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী

'চাল আমদানিতে সংকটে পড়তে হবে না কৃষককে'

নিজস্ব প্রতিবেদক    

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২১:৪৪



'চাল আমদানিতে সংকটে পড়তে হবে না কৃষককে'

চাল আমদানিতে কৃষককে কোনও ধরনের সংকটে পড়তে হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, "এই মুহূর্তে ট্যারিফ কমিয়ে দেওয়া হলেও আগামীতে উৎপাদনের পর তা পুনর্বহাল করা হবে।

"

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে একথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে  অধিবেশনে এ সংক্রান্ত নোটিশটি উত্থাপন করেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মিলন। নোটিশে তিনি বলেন, "দেশের খাদ্য ঘাটতি মোকাবেলায় চাল আমদানির পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। অতিরিক্ত চাল আমদানি যাতে না হয়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ দেশের উৎপাদিত চালের সঠিক মূল্য যাতে কৃষক পায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। "

জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, "আপতকালীন সময়ের জন্য খাদ্য আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে খাদ্য ঘাটতি মোকাবেলায় ১৫ লাখ টন চাল ও পাঁচ লাখ টন গম আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চালের সংকট যাতে না হয়, সেজন্য ট্যারিফ ২৮ শতাংশ থেকে প্রথমে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। পরে দুই শতাংশ করা হয়।

শুধু হিসাব রাখতে এটা করা হয়েছে। এখন সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও চাল আমদানি হচ্ছে। " তিনি বলেন, "এটা সাময়িক সময়ের জন্য করা হয়েছে। খাদ্য উৎপাদন হলে আবার ওই ট্যারিফ বহাল করা হবে। "

বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে দেশের খাদ্য সংকটের কথা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, "সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এবার ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে এবার আমরা চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য মজুদ করতে পারি নাই। তাই চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। " তিনি বলেন, "বন্যার পর ফসল ভালো হয়। এবারও তাই হবে বলে আশা করছি।  প্রধানমন্ত্রীরও নির্দেশনা রয়েছে, কোনভাবেই কৃষক যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয়। সে বিষয়ে আমরাও সতর্ক রয়েছি। তাই কৃষদের স্বার্থ রক্ষায় আবারও চাল আমদানির ওপর পূর্ব নির্ধারিত ট্যারিফ পুনর্বহাল করা হবে।

বন্ধ বস্ত্রকলগুলো চালুর পরিকল্পনা

দেশের বন্ধ বস্ত্রকলগুলো পুনরায় চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, বেকার শ্রমিকদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বিটিএমসি'র নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ বস্ত্রকলগুলো পুনরায় চালু করা হবে।

একই প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশিবিদেশি যৌথ উদ্যোগে বা পিপিপি'র মাধ্যমে এসব বন্ধ বস্ত্রকল সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিটিএমসি'র কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি জানান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন বিজেএমসি'র আওতায় ২৬টি পাটকল রয়েছে। সবকটি পাটকল বর্তমানে চালু রয়েছে।


মন্তব্য