kalerkantho


'নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে আইনের পাশাপাশি জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ আগস্ট, ২০১৭ ১৯:১০



'নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে আইনের পাশাপাশি জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে'

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।  

বাংলাদেশ ফুড সেফটি কনফারেন্স (নিরাপদ খাদ্য সম্মেলন) উপলক্ষে আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ঢাকায় ‘বাংলাদেশ ফুড সেফটি কনফারেন্স ২০১৭’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করে এ আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক সাধুবাদ জানান।

তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। অনিরাপদ ও অপুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণে অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি হয় এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে বিরূপ প্রভাব পড়ে। এজন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা খুবই জরুরি।  

রাষ্ট্রপতি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিতের বিকল্প নেই। নিরাপদ খাদ্যের জন্য জমি থেকে খাবার টেবিল পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে পরিবেশসম্মত নিরাপদ খাবার নিশ্চিতকরণে সকলের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে।
 
তিনি আইন প্রয়োগের পাশাপাশি ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তুলার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ভোক্তার অধিকার ও করণীয় সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে। কৃষকদের সচেতন ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। বীজ, সার ও কীটনাশক ব্যবহার, প্যাকেটজাতকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থা, সংরক্ষণসহ সব ক্ষেত্রেই সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

 

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ভোক্তা অধিকার আইনসহ ভেজালরোধে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষ নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য বিষয়ে সচেতন হওয়াসহ ভেজাল খাবার পরিহার ও মানসম্মত খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ হবেন। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এ লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং নিরাপদ খাদ্য সম্মেলন এই উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করবে।  

তিনি নিরাপদ খাদ্য সম্মেলনের সাফল্য কামনা করেন।


মন্তব্য