kalerkantho


খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন কাল থেকে শুরু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ আগস্ট, ২০১৭ ১৭:৪৩



খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন কাল থেকে শুরু

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ : সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব শীর্ষক খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক দুই দিনব্যাপি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে।

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজধানীর হোটেল প্যান-প্যাসিফিক সোনারগাওয়ে অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন খাদ্যমন্ত্রী মো. কামরুল ইসলাম।

ইনভেস্টরস চেম্বার অফ কমার্স ও ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) এবং মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স ও ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটি (বিএফএসএ), খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউট (বিএসটিআই), শিল্প মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

সম্মেলন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।  

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। অনিরাপদ ও অপুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণে অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি হয় এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে বিরূপ প্রভাব পড়ে। এজন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা খুবই জরুরি।  

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেন, সরকার সকলের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছে। দেশে চলমান খাদ্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন পর্যায়ে বিশেষ করে খাদ্য উৎপাদন থেকে প্রক্রিয়াকরণ পর্যন্ত প্রতিটি প্রক্রিয়ায় যথাযথ মান নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করেছি।

সার, বীজসহ সকল কৃষি উপকরণের মূল্যহ্রাস, কৃষকদের সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগসহ তাদের নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। আমাদের এসকল পদক্ষেপের ফলে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। ’

মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স ও ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এর জেনারেল সেক্রেটারি ফারুক আহমেদ বলেন , এ সম্মেলন দেশের খাদ্যের নিরাপত্তা গড়ে তোলার যাত্রায় খুবই সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, খাদ্যের নিরাপত্তা সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যাবশ্যক এবং ভোক্তাদের এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমদের দায়িত্ব, কিন্তু আমরা আমাদের এই প্রচেষ্টায় তখনই সফলকাম হব যখন আমরা খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনকারী থেকে শুরু করে রেগুলেটর এবং সর্বশেষে ভোক্তা পর্যন্ত প্রত্যেকটি স্তরে সচেতনতা গড়ে তুলতে সক্ষম হব। ’ 


মন্তব্য