kalerkantho


'মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করার লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ আগস্ট, ২০১৭ ২১:১৭



'মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করার লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল'

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করার লক্ষ্যেই ’৭৫’র ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল।

তিনি আজ শুক্রবার বিকেলে ঝালকাঠি সাধনার মোড়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগ এ সভার আয়োজন করে।  

শিল্পমন্ত্রী বলেন, এই দেশ যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে সে জন্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে কাদের ইশারায় হত্যা করা হয়েছিল তা পরিস্কার বোঝা যায় বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খন্দকার মোস্তাকের রাষ্ট্রপতি হওয়া আর জিয়াউর রহমানের সেনাপ্রধান পদে পদোন্নতি পাওয়ার মধ্য দিয়ে।  

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসে সরকারি চাকরি দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিষয়টি জাতির সামনে আরো পরিস্কার হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।  

আমির হোসেন আমু বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল সেই চক্রই এখন শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে। ইতিপূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ১৯ বার যড়যন্ত্র করা হয়। ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট। কিন্তু আল্লাহর রহমতে শেখ হাসিনা গ্রেনেড হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে গেছেন।  

তিনি বলেন, সকল যড়যন্ত্র মোকাবেলা করে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন সরকার গঠন করা হল এবং দেশের উন্নয়নে নানা প্রকল্প গ্রহণ করা হল ঠিক তখনই আবার যড়যন্ত্র শুরু হল।

সেই যড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ২০১৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাস সারা দেশে খালেদা জিয়ার নির্দেশে জ্বালাও-পোড়াও শুরু হয়।  

বাসে পেট্রলবোমা মেরে মানুষ হত্যা করে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করা হয় বলে আমু উল্লেখ করেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির পর গত সাড়ে তিন বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন নানা প্রকল্প নিয়ে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করতে যাচ্ছেন ঠিক তখনই আবার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যার যড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।  

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে এ শোক সভায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোবারক হোসেন মল্লিক, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুলতান হোসেন খান, পৌর মেয়র মো. লিয়াকত আলী তালুকদার জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তরুন কর্মকার প্রমুখ এ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।


মন্তব্য