kalerkantho


'বোমার স্প্লিন্টার তার ডান চোখ দিয়ে ঢুকে মাথার পেছনের অংশ উড়িয়ে দেয়'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ আগস্ট, ২০১৭ ১৮:৪৬



'বোমার স্প্লিন্টার তার ডান চোখ দিয়ে ঢুকে মাথার পেছনের অংশ উড়িয়ে দেয়'

রাজধানীর পান্থপথের হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালে নিহত জঙ্গি সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে বোমার আঘাতে। তার দেহে কোনো গুলির আঘাত পাওয়া যায়নি।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ এ কথা জানান।

সোহেল মাহমুদ বলেন, নিহত সাইফুলের কোমর থেকে একটি ডিভাইস ও তার উদ্ধার করা হয়েছে। তা ছাড়া বোমার স্প্লিন্টার তার ডান চোখ দিয়ে ঢুকে মাথার পেছনের অংশ উড়িয়ে দেয়। আগুনের হল্কায় তার পুরো দেহের লোম পুড়ে যায়। ফলে মৃতদেহটি একদম কালো হয়ে গিয়েছিল। তবে সাইফুলের দেহে কোনো গুলির আঘাত পাওয়া যায়নি।

এর আগে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ মনিরুল ইসলাম বিপিএম-বার, পিপিএম-বার ডিএমপি নিউজকে জানান, হোটেলের যে কক্ষে বিক্ষোরণ ঘটেছে, আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী এক যুবক সোমবার রাতে সেটি ভাড়া নেয়। আমরা ধারণা করছি, ওই যুবকই নিহত হয়েছে। হোটেলের রেজিস্ট্রার খাতার তথ্য ও স্থানীয়ভাবে পুলিশের অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ওই যুবকের নাম সাইফুল ইসলাম।

পিতার নাম আবুল খায়ের। বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়ায়। সে বি এল কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। সে খুলনার খালিশপুরের একটি মেসে থাকত। আগস্ট মাসের ৭ তারিখে পিতামাতাকে চাকরির কথা বলে সে ঢাকায় আসে। জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান ঘিরে তার হামলার পরিকল্পনা ছিল।

বিস্ফোরিত বোমার ব্যাপারে মনিরুল ইসলাম জানান, এখানে শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল যেটি একটি ট্রাভেল ব্যাগে করে সে নিয়ে এসেছিল। তার কাছে মোট তিনটি বোমা ছিল। প্রথমটি সে রুমের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটায়। দ্বিতিয়টি সে বাইরে নিয়ে এসে আত্মঘাতী হয়। আর তৃতীয়টি তার ব্যাগে পাওয়া যায় যা পরবর্তী সময়ে বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট নিষ্ক্রিয় করে।


মন্তব্য